কক্সবাজার জেলার রামু উপজেলার রাজারকুল ইউনিয়নের মনসুর আলী শিকদার ওয়াকফ স্টেটের পরিচালনা কমিটির বিরুদ্ধে তদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। শত বছরের ঐতিহ্যের বাহক মনসুর আলী সিকদার ওয়াকফ স্টেট দখল নিতে মরিয়া একটি চক্র। একজন সরকারি কর্মকর্তার প্রত্যক্ষ মদদে গুটি কয়েক সদস্য মিলে বেশ কয়েক বছর যাবত ওয়াকফ স্টেটটি দখল নেয়। পরিবারের সকল সদস্যের মতামতের ভিত্তিতে নিযুক্ত মতোয়াল্লীকে সম্পূর্ণ অন্ধকারে রেখে আওয়ামী অনুসারী কয়েকজন সদস্য মিলে মনগড়া একটি কমিটি করে ওয়াকফের টাকা এবং সম্পত্তি নিজেদের দখলে নেয়। পরিবারের প্রায় সকল সদস্যের উপস্থিতিতে এবং অনুরোধ মতোয়াল্লি মহিবুল্লাহ সিকদার এই অবৈধ আওয়ামী ফ্যাসিস্টের দোসরদের কমিটি বাতিলের জন্য ওয়াকফ প্রশাসক বরাবর আবেদন করলে কক্সবাজার জেলা ইন্সপেক্টর এম খালিদকে তদন্তের দায়িত্ব দেন। তিনি ৩১ অক্টোবর মনসুর আলী শিকদারের ওয়ারিশদের উপস্থিতিতে তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করেন। তদন্ত কর্মকর্তার উপস্থিতিতে প্রায় সকল সদস্য সর্বসম্মতিক্রমে মতোয়ালির ওপর তাদের আস্থা পুন: ব্যক্ত করেন। ওয়াকফ পরিচালনার নামে গঠিত ভুয়া কমিটি বাতিলের জন্য তদন্ত কর্মকর্তাকে অনুরোধ করেন। উক্ত তদন্ত কার্যক্রম চলাকালে কক্সবাজার জেলা বিএনপি নেতা শহীদুল্লাহ সিকদার, রাজারকুল ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি জহিরুল হক শিকদার, সিকদারপাড়া সমাজ কমিটির সভাপতি মাস্টার ফরিদুল হক, রাজারকুল আজিজুল উলুম মাদ্রাসার পরিচালক মাওলানা মোহছেন শরীফ , রামু উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক ফয়েজ উদ্দিন রাশেদ, আরিফুল রশিদ সিকদার, মতুয়াল্লী মহিবুল্লাহ সিকদার সহ পরিবারের প্রায় সকল সদস্য উপস্থিত ছিলেন। উপস্থিত পরিবারের ১৬০ জনের মধ্যে ১৫৫ জন উপস্থিত ছিলেন তদন্ত চলাকালে। তাদের দাবি মতোয়াল্লী বহাল রেখে আওয়ামী ফ্যাসিস্ট কমিটি বাতিল করে সার্বজনিন কমিটি পুন: গঠন করা হোক।