কুতুবদিয়ায় ভিয়েতনাম জাতের নারিকেল গাছের ডাব বিক্রি করে আয় করেছে ৬০ হাজার টাকা। শুধু এক গাছের ডাব বেঁচে এক বছরে এই টাকা আয় করেছেন দক্ষিণ ধুরুং দরবার রাস্তার মাথায় ফার্মেসি ব্যবসায়ি মোহাম্মদ আমিন।
মোহাম্মদ আমিন জানান, উপজেলায় এখন ভিয়েতনাম জাতের নারিকেল চারা পাওয়া দুষ্কর। কয়েক বছর আগে বাঁশখালী কৃষি অফিস থেকে ও স্থানীয় বিসমিল্লাহ নার্সারি থেকে সংগ্রহ করেছিলেন ১৪টি চারা। এখন ৮টি গাছে ফলন দিচ্ছে। এর মধ্যে একটি গাছের ডাব বিক্রি করেছেন ৬০ হাজার টাকা। এক বছরেই এই আয় হয়েছে তার।
তিনি আরো বলেন, অনেক মুকুল ঝরে পড়ে যাচ্ছে। নাহলে ফলন আরো ভালো হত। রোধ করা সম্ভব হচ্ছেনা। এই চারা সরবরাহ থাকলে অনেকেই নারিকেল গাছ লাগিয়ে বিরাট আয়ের মুখ দেখতে পারত বলে তিনি মনে করেন।
উপজেলায় ব্যক্তিগত একমাত্র চারা উৎপাদন ও বিক্রয়কারি বড়ঘোপ মনোহরখালীর বিসমিল্লাহ নার্সারির মালিক জয়নাল আবেদীন বলেন, ভিয়েতনাম জাতের নারিকেল চারা গড়ে ২৫০০- ৩০০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আমিনের বাড়িতে নারিকেল চারা তার নার্সারির ছিল।
উপজেলা কৃষি অফিসার অসীম কুমার দাস বলেন, অন্যান্য জাতের বিভিন্ন চারা বিতরণ ও সরবরাহ থাকলেও অন্তত ৭ বছর আগে কৃষকদের মাঝে নারিকেল চারা সরবরাহ হয়েছিল। গাছ বড় হলে অনেকেই আর পরিমিত যত্ন নেয়না। ফলে গাছের মরকসহ নানা জটিলতা দেখা দেয়। নারিকেল গাছের মুকুল ঝরে গেলে উপজেলা কৃষি অফিসে যোগাযোগ করলে কার্যকর পরামর্শ নিতে পারবেন।