কক্সবাজারের কুতুবদিয়া উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি, কক্সবাজার জেলা কালেক্টরেট সহকারী সমিতির আহ্বায়ক এবং জেলা সরকারি কর্মচারী সমন্বয় পরিষদের সভাপতি জুবায়ের রাসেলের পিতা, অবসরপ্রাপ্ত সহকারী ভূমি কর্মকর্তা (তহসিলদার) আব্দুল গফুর কুতুবী ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
রোববার (২৫ অক্টোবর) সকাল ১১টার দিকে চট্টগ্রাম শহরের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তিনি দুই পুত্র ও এক কন্যাসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
রোববার এশার নামাজের পর চট্টগ্রাম শহরের রাহাত্তারপুল নুর বেগম মসজিদ মাঠে মরহুমের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর সোমবার (২৬ অক্টোবর) জোহরের নামাজের পর কুতুবদিয়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে বিপুলসংখ্যক মানুষের উপস্থিতিতে যথাযথ মর্যাদায় মরহুমের দ্বিতীয় জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়।
কুতুবদিয়ায় অনুষ্ঠিত এই জানাজার নামাজের পূর্বে উপস্থিত শোকার্ত মানুষের উদ্দেশে মরহুমের কর্মময় জীবনের স্মৃতিচারণ করে বক্তব্য রাখেন কক্সবাজার-২ (মহেশখালী-কুতুবদিয়া) আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আলমগীর মুহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ ফরিদ।
স্মৃতিচারণমূলক বক্তব্যে সংসদ সদস্য আলমগীর ফরিদ মরহুম আব্দুল গফুর কুতুবীর রাজনৈতিক ও সামাজিক অবদানের কথা গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন। তিনি বলেন, "মরহুম আব্দুল গফুর কুতুবী কেবল একজন সৎ সরকারি কর্মকর্তাই ছিলেন না, তিনি ছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক আদর্শে আর্দশিত। তাঁর মৃত্যুতে কুতুবদিয়াবাসী একজন প্রবীণ, বিজ্ঞ অভিভাবক ও পরীক্ষিত দেশপ্রেমিককে হারাল। সমাজের উন্নয়নে তাঁর অবদান মানুষ দীর্ঘদিন মনে রাখবে।"
এ সময় এমপি ফরিদ শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের ধৈর্য ধারণের পরামর্শ দেন এবং মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।
প্রবীণ এই মুরুব্বির জানাজার নামাজে কুতুবদিয়া উপজেলা বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল ও অন্যান্য অঙ্গ-সংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, প্রশাসনের কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার সাধারণ মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। জানাজার নামাজ শেষে মরহুমকে এলাকার পারিবারিক কবরস্থানে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয়।
এদিকে, কক্সবাজার জেলা কালেক্টরেট সহকারী সমিতির আহ্বায়ক জুবায়ের রাসেলের পিতার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন সমিতির সদস্যরা।