মিয়ানমার থেকে উখিয়ায় পাচার কালে এক লাখ পিস ইয়াবাসহ দুই ব্যক্তিকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) রাত ১টা ১০ মিনিটের দিকে উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি) এর পালংখালী চৌকির বিশেষ টহল দল এ অভিযান পরিচালনা করে।
আটক ব্যক্তিরা হলেন-উখিয়া উপজেলার নলবনিয়া বুছারগুনা গ্রামের নুরুল আলমের ছেলে ভুট্টো (৩৮) এবং একই এলাকার আব্দুল করিমের ছেলে আমির হামজা (২৬)।
৬৪ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
বিজিবি জানায়, মঙ্গলবার রাত আনুমানিক ১টা ১০ মিনিটে পালংখালী চৌকির একটি বিশেষ টহল দল সীমান্তবর্তী আনজুমানপাড়ার ফাইস্যাখাল এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। এসময় সাইদুল বাসারের ঘেরের কাছ দিয়ে মিয়ানমারের দিক থেকে দুই ব্যক্তিকে পোটলা হাতে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করতে দেখা যায়। তাদের গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হলে বিজিবি সদস্যরা তাদের চ্যালেঞ্জ করেন।
এসময় তারা দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করলে বিজিবির সদস্যরা ধাওয়া করে দুজনকেই আটক করেন। পরে তাদের বহন করা পোটলায় তল্লাশি চালিয়ে খাকি রঙের প্যাকেটে মোড়ানো নীল রঙের ১০টি কার্টন পাওয়া যায়। এসব কার্টন থেকে মোট এক লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
আটক দুজনকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা মিয়ানমার সীমান্ত থেকে ইয়াবা সংগ্রহ করে অধিক দামে বিক্রির উদ্দেশ্যে বহন করছিল বলে বিজিবির কাছে স্বীকার করেছে।
৬৪ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম বলেন, মাদক পাচারের সঙ্গে জড়িত সরবরাহকারী ও চোরাকারবারিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে বিজিবির গোয়েন্দা নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে। সীমান্তে মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবির অভিযান অব্যাহত থাকবে।
বিজিবি সূত্র জানায়, কক্সবাজার রিজিয়নের রামু সেক্টরের অধীনে দায়িত্ব পালনকারী উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি) সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি মাদক ও বিভিন্ন ধরনের অবৈধ কার্যক্রম প্রতিরোধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে আসছে। এ ঘটনায় উদ্ধার হওয়া ইয়াবা ও আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে বিজিবি জানিয়েছে।