চকরিয়া উপজেলার মালুমঘাট বাজারের মুদির দোকানে অনুমোদন বিহীন রোহিঙ্গা ক্যাম্পের প্রচুর পরিমান বিভিন্ন পন্য মজুদ এবং তাতে বিভিন্ন কোম্পানির মোড়কের ট্যাগ লাগিয়ে মেয়াদোত্তীর্ণ পন্য বিক্রি করার অভিযোগে দোকানীকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। একইসময়ে একটি বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে মেয়াদোত্তীর্ণ রি-এজেন্ট ও ওষুধ মজুদ রেখে বিক্রি করার অপরাধে ওই ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে বাংলাদেশ ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের একটি টিম।
মঙ্গলবার (২৩ জুন) দুপুরে বাংলাদেশ ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর কক্সবাজার জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মোঃ হাসান আল মারুফের নেতৃত্বে উপজেলার মালুমঘাট বাজারে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।
অভিযানে চকরিয়া উপজেলা স্যানেটারি ইন্সপেক্টর মোঃ আরিফুল ইসলাম, নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক ও থানা পুলিশের একটি টিম অংশগ্রহণ করেন।
অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করে চকরিয়া উপজেলা স্যানেটারি ইন্সপেক্টর মোঃ আরিফুল ইসলাম বলেন, নিয়মিত বাজার তদারকির দায়িত্ব হিসেবে মঙ্গলবার দুপুরে চকরিয়া উপজেলার মালুমঘাট বাজারে অভিযান পরিচালনা করেন বাংলাদেশ ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের একটি টিম।
এসময় রেজাউল স্টোর নামের একটি মুদির দোকানে অভিযানকালে বিক্রির জন্য অনুমোদন বিহীন রোহিঙ্গা ক্যাম্পের প্রচুর পরিমান বিভিন্ন পন্য মজুদ পাওয়া যায় এবং তাতে বিভিন্ন কোম্পানির ট্যাগ লাগিয়ে বিক্রি করা, মূল্য তালিকা প্রদর্শন না করা,মেয়াদোত্তীর্ন পন্য বিক্রি করা, পন্যের মোড়কে মূল্য না থাকায় ওই দোকানীকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন -২০০৯ এর বিভিন্ন ধারায় ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
তিনি বলেন, একইসময়ে বাজারটির পুর্ব পাশে অবস্থিত বেসরকারি মা-মনি ডায়াগনস্টিক সেন্টার নামের একটি চিকিৎসা সেবা প্রতিষ্ঠানে মেয়াদোত্তীর্ণ রি-এজেন্ট ও ওষুধ মজুদ পাওয়া যাওয়া। এসব অপরাধের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট ধারায় ওই ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।
ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর কক্সবাজার জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মোঃ হাসান আল মারুফ বলেন, ভোক্তা সাধারণের জন্য
নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন এবং বিপনন নিশ্চিত করার অংশ হিসেবে কক্সবাজার জেলার সর্বত্রে বাজার তদারকি অব্যাহত রেখেছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। এরই অংশ হিসেবে মঙ্গলবার দুপুরে চকরিয়া উপজেলার মালুমঘাট বাজারে অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন ধরনের অনিয়ম অসঙ্গতির দায়ে একটি মুদির দোকান এবং একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে জরিমানা করা হয়েছে। একইসঙ্গে প্রতিষষ্ঠান সমূহকে একই অপরাধ পুনরায় না করার জন্য সতর্ক করা হয়েছে।
তিনি বলেন, জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন এবং বিপণন নিশ্চিত করতে আমাদের তদারকি অভিযান অব্যাহত থাকবে।