গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক ঘোষিত তিন মাসব্যাপী সাপ্তাহিক ডেঙ্গু মশা নিধন ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান কার্যক্রম শুরু হয়ে চলমান রয়েছে।
এরমধ্যে পৌরসভার ফুটপাত ও অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়েছে উপজেলা প্রশাসন সহ টেকনাফ পৌরসভা।
এরমধ্যেই গত ৪ অক্টোবর গত রবিবার "টেকনাফ পৌরসভায ফুটপাত দখল করে রমারম ব্যবসা, ভোগান্তিতে পৌরবাসী" শিরোনামে দৈনিক কক্সবাজারে দ্বিতীয় পৃষ্ঠায় প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।
শনিবার শুরু হওয়া কার্যক্রমের অংশ হিসেবে টেকনাফ বাস স্টেশন ঝর্ণা চত্ত্বর থেকে শুরু হয়ে বিভিন্ন দোকানে পৌরসভার ব্যবস্থাপনায় ডেঙ্গু মশা নিধন ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান কর্মসূচি শুরু হয়।
ওয়াশ কার্যক্রম সংশ্লিষ্ট টেকনাফের বিভিন্ন এনজিও পার্টনারদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে এ পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করা হয়।
এসময় দোকানের সামনে থাকা অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে ফেলা হয়। পাশাপাশি একটি দোকানদারকে ১ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক এস.এম অনীক চৌধুরী। তার সঙ্গে ছিলেন টেকনাফ পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী জসীম উদ্দিন আহমদ, এলজিইডি টেকনাফ উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ আলাউদ্দিন খান, উপজেলা খাদ্য গুদাম কর্মকর্তা মোঃ শফিউল হাবিব ভুইয়া, উপজেলা সহকারী যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মোঃ সোহরাব হোসেন, পৌর হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা মুহাম্মদ সৈয়দ হোসেন, পৌর কর আদায়কারী রবিউল ইসলাম, পৌর প্রধান সহকারী মোঃ ওসমানুল কবির (ওয়াসিম), এনজিও ফোরামের প্রজেক্ট ম্যানেজার মোঃ আফজাল হোসাইন, বিজিএস এরিয়া প্রোগ্রামের প্রোগ্রাম ম্যানেজার আবদুল হামিদ, হাইসাওয়ার উপজেলা ওয়াশ কর্মকর্তা মোঃ ফারুক হোসেন, মোহাম্মদ ইয়াসিন প্রমূখ।
সপ্তাহে পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডে ডেঙ্গু মশা নিধন ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান কর্মসূচি পালন করা হবে।
আমির আহমদ বলেন, উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করে এমন একটি পরিবেশ উপহার দেওয়ায় প্রশাসন তথা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানায়। আশা করছি আবার যাতে ফুটপাত দখল না হয় সেদিকেও প্রশাসন কড়া নজর রাখবে।
টেকনাফ পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী জসীম উদ্দিন আহমদ বলেন,পৌরসভার দুইপাশের ফুটপাত দখল করে অবৈধভাবে দখল কারিদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। টেকনাফ বাস স্টেশন থেকে উপজেলা পর্যন্ত এই অভিযান চালানো হয়েছে। সরকারের সৌন্দর্য বর্ধনের কাজকর্মকে গুরুত্ব দিয়ে এ অভিযান চালানো হয়েছে। অভিযান চালানোর ফলে আবার যদি দখলের চেষ্টা করা হয় তখন তাদের বিরুদ্ধে সরাসরি আইন গত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক এস.এম অনীক চৌধুরী বলেন, প্রত্যেক দোকানের সামনে নির্দিষ্ট জায়গায় ডাস্টবিনে ময়লা ফেলবেন। এ ময়লা পৌরসভার পরিচ্ছন্ন কর্মীরা এসে নিয়ে যাবে। রাস্তাঘাটে অপরিস্কারভাবে ময়লা ফেলবেন না। যদি ডাস্টবিনে বাইরে ময়লা পাওয়া যায় তাহলে জরিমানা করা হবে। এসময় দোকানে গিয়ে সামনে অবৈধ স্থাপনা না বসাতে এবং ময়লা আবর্জ্যনা যেখানে সেখানে না ফেলতে সচেতন ও সতর্ক করা হয়।