কুতুবদিয়ায় পানিতে ডুবে শিশু মৃত্যুর ঘটনা থামছেই না। গতকাল মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকালেই নাবিলা নামের ১৯ মাস বয়সী এক শিশু পানিতে ডুবে মারা গেছে। দক্ষিণ ধুরুং ওলী পাড়ার জিয়াবুলের মেয়ে সে। শিশুর চাচা আরিফ জানান, মংগলবার সকাল ৮টার দিকে তার ভাবী রান্নায় ব্যস্ত থাকায় শিশু নাবিলা পাশের পুকুরে তলীয়ে যায়। হাসপাতালে নেয়ার পর ডাক্তার নাবিলাকে মৃত বলে জানান।
এনিয়ে গত ৫ দিনে ৪ শিশু পানিতে ডুবে মারা গেল। গত রবিবার উত্তর ধুরুং কুইল্যার পাড়ায় খোকনের মেয়ে আইমন(২), শনিবার লেমশীখালী হাবিব হাজির পাড়ার রুবেলের ছেলে জিয়াদ(২) ও শুক্রবার আলী আকবর ডেইল ঘাটকুল পাড়ায় মিশু (৪) নামের এক শিশু পানিতে ডুবে মারা গেছে। এছাড়া চলতি মাসের ৪ তারিখে বড়ঘোপ মুরালিয়া গ্রামের নিজাম উদ্দিনের মেয়ে তাকওয়া (৩) পানিতে ডুবে মারা যায়।
এভাবে প্রতিনিয়ত শিশু মৃত্যুর ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে দক্ষিণ ধুরুং ইউপি চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন আল আজাদ বলেন, উপজেলার প্রায় সব বাড়িতে পুকুর বা জলাশয় রয়েছে। কিন্তু এসব পুকুরের সিংহভাগে ঘেরা বেড়া নাই। ফলে শিশুরা খেলার ছলেই পুকুরে পড়ে যাচ্ছে। অভিভাবকরা সচেতন না হলে এটি রোধ হবে না।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. গোলাম মারুফ জানান, চলতি মাসের শুরু থেকেই পানি ডুবির ঘটনা বেড়ে গেছে। গত ৫ দিনেই ৪টি শিশুর মৃত্যুর ঘটনা খুবই উদ্বেগের। সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য ক্যাম্পিং হয় প্রতিটা ওয়ার্ডেই। গুরুত্ব পাচ্ছেনা বিষয়টি। ফলে পানিতে ডুবে শিশু মৃত্যুর ঘটনা থামছেই না।
থানার ওসি মো. মাহবুবুল হক বলেন, ইদানিং কুতুবদিয়ায় পুকুরে ডুবে শিশু মৃত্যুর ঘটনা আশংকাজনক ভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। অবুঝ শিশুরা খেলার ছলে কোথায় যায় তা অভিভাবকদের খেয়াল রাখাসহ পুকুর বা ডোবায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা দরকার।