গ্রেফতার হয়েছেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর রিপন মিয়া। আজ শুক্রবার (৭ আগস্ট) সকালে ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলার মহিষারন-অচিন্ত্যপুর এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
নেত্রকোনা সদর উপজেলায় এক স্কুলছাত্রীকে (১৪) ধর্ষণের অভিযোগে অভিযুক্ত রিপন। ভুক্তভোগীর বাবার করা মামলার প্রধান আসামি রিপন হওয়ায় তাকে গ্রেফতার করে র্যাব।
নেত্রকোনা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল খায়ের জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১৪ সদর কোম্পানির একটি দল অভিযান চালিয়ে পলাতক আসামি রিপন মিয়াকে গ্রেফতারের পর নেত্রকোনা মডেল থানায় হস্তান্তর করে।
মামলার এজাহার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রিপন বিভিন্ন সময় ভিডিও তৈরির অজুহাতে ভুক্তভোগী ছাত্রীকে উত্ত্যক্ত করতেন। তিনি গত ৩০ জুলাই রাত আটটার দিকে ছাত্রীটির বাড়িতে গিয়ে জরুরি কথা আছে বলে ডেকে মগড়া নদীর উত্তর পাড়ে নিয়ে যান এবং সেখানে ধর্ষণ করেন।
ওই ঘটনা জানাজানি হলে গত সোমবার (৩ আগস্ট) রাতে স্থানীয় একটি বাজারে বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে সালিস বসে। সেখানে রিপন মিয়াকে পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা ও গ্রামছাড়া করার সিদ্ধান্ত হয়। জরিমানার অর্থ পরিশোধ ও গ্রাম ছাড়তে তাকে এক সপ্তাহ সময় দেয়া হয়। সালিসের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি আলোচনায় আসে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর বাবা বাদী হয়ে গত মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) রাতে নেত্রকোনা মডেল থানায় একটি মামলা করেন।
প্রসঙ্গত, পেশায় কাঠমিস্ত্রি হলেও নেত্রকোনা সদর উপজেলার একটি গ্রামের বাসিন্দা রিপন মিয়া ২০১৬ সাল থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিও তৈরি করে পরিচিতি পান। এরপর তিনি ২০১৯ সালে নিজের ফেসবুক পেজ খোলেন। বর্তমানে সেখানে প্রায় ১৯ লাখ অনুসারী রয়েছে তার।