শেষ মুহূর্তে ব্রাজিলের খেলোয়াড়কে ডি-বক্সের ভেতরে ফাউল করায় পেনাল্টি দেয় রেফারি। স্পট কিক থেকে গোল করেন নেইমার। তবে শেষ পর্যন্ত আর সমতায় ফিরতে পারেনি ব্রাজিল। ২-১ গোলে হেরে বিশ্বকাপ থেকে আবারও ইউরোপের দলের কাছে হেরে বিদায় নিল তারা।
হলান্ড একাহাতে ব্রাজিলকে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় করল। ৯০তম মিনিটে ডি-বক্সের বাইরে থেকে জোড়াল শটে দ্বিতীয় গোলটি করেন হলান্ড।
যাকে নিয়ে পুরো ব্রাজিল দল ভয়ে ছিল, সেই হলান্ডই নরওয়েকে এগিয়ে দিলেন। ম্যাচের ৮০তম মিনিটে হেডে গোল করেন হলান্ড।
জাপানের বিপক্ষে মাঠে নামেননি নেইমার। তবে শেষ ষোলোর ম্যাচে ৬৮তম মিনিটে মার্তিনেল্লির বদলি হিসেবে আনচেলত্তি নেইমারকে মাঠে নামালেন।
গোলশূন্যতে শেষ হলো ব্রাজিল-নরওয়ে প্রথমার্ধ। প্রথম হাফে দুই দলই গোলের বেশকিছু সুযোগ পেয়েছিলো, তবে গোলকিপারের সহায়তায় বেঁচে যায় দুই দলই।
প্রথমার্ধের যোগ করার সময়ে ওডেগার্ডের একটি শট সেচ করেন অ্যালিসন। ৪০তম মিনিটে ভিনিসিউসের শট সেভ করেন নরওয়ে গোলকিপার।
ম্যাচের ১১তম মিনিটে ডি-বক্সের ভেতরে কুনহাকে ফাউল করেন নরওয়ের এক ডিফেন্ডার। প্রথমে রেফারি পেনাল্টি না দিলেও, পরে ভিডিও অ্যাসিস্টেন্টের সাহায্যে পেনাল্টি পায় ব্রাজিল। তবে গিমারেসের শট ঠেকিয়ে দেন নরওয়ের গোলকিপার নিল্যান্ড।
ম্যাচের শুরুতেই এগিয়ে যায় নরওয়ে। তবে তাদের গোলটি অফসাইডে বাতিল হয়।
ইতিহাসে এখন পর্যন্ত চারবার মুখোমুখি হয়েছে ব্রাজিল ও নরওয়ে। কিন্তু অবাক করার মতো হলেও, এই চার দেখায় একবারও জয়ের মুখ দেখেনি পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল। নরওয়ে জিতেছে দুটি ম্যাচ, বাকি দুটি হয়েছে ড্র।
দুই দলের সর্বশেষ দেখা হয়েছিল ২০০৬ সালে। সেই ম্যাচটি ১–১ গোলে ড্র হয়েছিল।