কক্সবাজার পৌরসভার উদ্যেগে সুগন্ধা সৈকতে পরিচ্ছন্নতা ও সচেতনতামূলক অভিযানে অংশ নিয়েছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য লুৎফুর রহমান কাজল। এসময় তিনি পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধি ও পর্যটন এলাকাকে প্লাস্টিকমুক্ত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, প্লাস্টিক এবং অপচনশীল বর্জ্যের কারণে দিন দিন সৈকতের সৌন্দর্য হারিয়ে যাচ্ছে। এই সৈকত দেশের একটি সম্পদ। একে যত্ন নিতে হবে; সৈকতকে তার আগের রূপে ফিরিয়ে আনতে সচেতনতা বৃদ্ধির আহবান জানিয়েছেন তিনি।
মঙ্গলবার ( ১৫ সেপ্টেম্বর ) সকাল ১১ টায় পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতায় গিয়ে তিনি সকলের প্রতি এই আহবান জানান।
এমপি কাজল বলেন, প্রধানমন্ত্রী নিজ বাড়ি ও আশপাশ পরিষ্কার রাখতে সপ্তাহে অন্তত এক ঘণ্টা সময় দেওয়ার কথা বলেছেন। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে সৈকতে সপ্তাহে একদিন পরিস্কার পরিচ্ছন্ন অভিযান চলমান থাকবে। সৈকতে যত্রতত্র ময়লা বা আবর্জনা না ফেলার জন্য পর্যটকসহ স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সকলের প্রতি আহবান জানিয়েছেন তিনি।
হকারের প্রসঙ্গ টেনে এমপি কাজল বলেছেন, হকারদের পুনর্বাসনের জন্য একটি নীতিমালা হচ্ছে এবং শীঘ্রই তা বাস্তবায়ন করা হবে। এই পর্যটন শিল্পের সাথে বহু মানুষ জড়িত। কয়েক যুগ ধরে এখানে ব্যবসা-বানিজ্য করে আসছেন। তারা সবসময় আতঙ্কে থাকে। তারা সুন্দরভাবে যেন ব্যবসা করতে পারে সেজন্য পুনর্বাসনের একটি নীতিমালার কাজ চলমান আছে। এমপি পরিচ্ছন্নতা অভিযানের পাশাপাশি সৈকতের বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেন। এ সময় তিনি পর্যটকদের নিরাপত্তা ও তাদের নানা সমস্যার বিষয়ে খোঁজখবর নেন।
পৌরসভার প্রধান নির্বাহী মো: আদনান চৌধুরী, পর্যটন ব্যবসায়ী আবুল কাশেম সিকদার, মুকিম খান, শহর যুবদলের আহবায়ক আজিজুল হক সোহেল, যুবদল নেতা জাবেদ ইকবাল, জয়নাল আবেদীন, শহর ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর, টুয়াকের প্রচার সম্পাদক ছাত্রদল নেতা ফারুক আজম, মো: শাহনেওয়াজ, হেলাল উদ্দিন, ছাত্রদল নেতা সাইফুর রহমান, নয়ন, মিজানুল আলম, ইনজামামুল হকসহ পর্যটনসংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা এই অভিযানে অংশ নিয়েছেন।