সুপারিশ
১. ২০১৩ সালের অভিবাসন আইনের সীমাবদ্ধতা ও দ্বৈততা দূর করে অফিস অর্ডারের পরিবর্তে পূর্ণাঙ্গ ও কার্যকর বিধিমালা বাস্তবায়ন করা।
২. ১৯৯০ সালের জাতিসঙ্ঘ অভিবাসন সনদের বাস্তবায়ন সংক্রান্ত প্রতিবেদন তৈরি এবং গণমাধ্যমে প্রচারণা।
৩. অভিযোগ তদন্ত ও মীমাংসার ক্ষেত্রে স্বাধীন ও নিরপেক্ষ ব্যবস্থা বা থার্ড-পার্টি যুক্ত করা।
৪. বিএমইটি এবং জেলা কর্মসংস্থান অফিসগুলোর লোকবল সংকট মেটানো এবং পর্যাপ্ত বাজেট বরাদ্দ দেওয়া।
৫. জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে শক্তিশালী সমন্বয় কমিটি গঠন করে মাঠ পর্যায় থেকেই অভিবাসন সংক্রান্ত সমস্যার দ্রুত সমাধান করা।
৬. পাচারপ্রবণ এলাকাগুলোকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে চিহ্নিত করা এবং পাচারকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপ নিশ্চিত করা।
৭. মানব পাচার ও প্রতারণা রোধ করতে এই সংক্রান্ত বিচারিক প্রক্রিয়ায় দোষী ব্যক্তির যথাযথ শাস্তির ব্যবস্থা নিশ্চিত করা।
৮. ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারেরমাধ্যমে অভিবাসন প্রত্যাশীদের সঠিক তথ্য প্রদান, ডিজিটাল পদ্ধতিতে ভিসা চেক ও সচেতনতা মূলক সেবা নিশ্চিত করা।
৯. ফেসবুক, স্ক্যাম সেন্টার ও ভুয়া মেসেজের মাধ্যমে ফাঁদে ফেলা চক্রগুলোর বিষয়ে সার্বিক সচেতনতা বাড়ানো।
১০. কাছের মানুষ বা পরিবারের সদস্যদের মাধ্যমে প্রবাসীদের প্রতারিত হওয়া ঠেকাতে আইনি দিকনির্দেশনা ও সচেতনতা তৈরি করা।
১১. হুন্ডি প্রথা সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করে ব্যাংকিং ব্যবস্থার মাধ্যমে প্রবাসীদের রেমিট্যান্স পাঠাতে উৎসাহিত ও আশ্বস্ত করা।
১২. প্রতারিত বা ক্ষতিগ্রস্ত অভিবাসী কর্মী ও তাদের পরিবারের জন্য সহজলভ্য আইনি সহায়তার পথ সুগম করা।
১৩.: রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোর কার্যক্রম স্বচ্ছ রাখতে এবং তাদের কোনো অনুচিত প্রভাব যাতে তদন্তে না পড়ে, সেজন্য নজরদারি বাড়ানো।
১৪. মিডিয়াকে সম্পৃক্ত করে সাধারণ অভিবাসীদের অধিকার, আন্তর্জাতিক নিয়মকানুন ও সচেতনতামূলক তথ্য নিয়মিত প্রচার করা।