কক্সবাজার পৌরসভা ও বিভিন্ন ইউনিয়ন এলাকায় অপরাধ দমন, চুরি ও ছিনতাই রোধে ২৭ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে কক্সবাজার সদর মডেল থানা পুলিশ। গত ৫ নভেম্বর থেকে ৬ নভেম্বর পর্যন্ত থানা পুলিশের পরিচালিত যৌথ অভিযানে তাদের আটক করা হয়। আটককৃতদের মধ্যে রয়েছে ১৮ জন মাদকসেবী, ৩ জন বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ব্যক্তি এবং ৬ জন পরোয়ানাভুক্ত সাজাপ্রাপ্ত ও ওয়ারেন্টভূক্ত আসামি।
মাদকসেবী হিসেবে যাদের আটক করা হয়েছে তারা হলেন দক্ষিণ টেকপাড়ার মো. আবু তালেব (৪৫), দক্ষিণ রুমালিয়ারছড়ার একরামুল হক খোকন (৫২), খুরুশকুল মাঝের ডেইলের জয়নাল আবেদীন (৫০), মনু পাড়ার কাদের হোসেন (৪০), কুলিয়াপাড়ার আবদুল্লাহ (২৬) ও মো. আলী হোসেন (২৮), সমিতিপাড়ার সোহেল (২৪) ও মো. সোহেল (৩০), লাইট হাউজ এলাকার মো. ইমন (২৬), ভারুয়াখালী পশ্চিম পাড়ার শিবলু চৌধুরী সিফাত (২৬), পশ্চিম বাহারছড়ার মো. হেলাল উদ্দিন (৪৫), মোহাজের পাড়ার মো. ইউসুফ (২৫), কালুর দোকান এলাকার মো. নাসির ওরফে নাছির উদ্দিন (১৯), পূর্ব লাহার পাড়ার হামিদ হোসেন বাপ্পি (২০) ও রনি (২২), পেকুয়া উপজেলার কাইছার উদ্দিন বাবু (২৮) এবং উখিয়ার কুতুপালং ক্যাম্প-১ ইস্টের বাসিন্দা জান্নাত উল্লাহ (২৫) ও মোস্তফা (১৮)।
এ ছাড়া বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকায় পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে খুরুশকুল আশ্রয়ণ প্রকল্পের আশরাফুল ইসলাম সাগর (২১), টেকনাফের বাসিন্দা ও বর্তমানে কালুর দোকান এলাকার ভাড়াটিয়া জসিম উদ্দিন (২২) এবং উখিয়ার কুতুপালং জি-২ এলাকার বাবুলকে (২৪)। এর মধ্যে জসিম উদ্দিনের বিরুদ্ধে টেকনাফ থানায় একটি মামলা চলমান রয়েছে বলে থানা সূত্রে নিশ্চিত করা হয়েছে।
অন্যদিকে আদালতের পরোয়ানাভুক্ত ও দীর্ঘদিন ধরে পলাতক থাকা যে ৬ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে তারা হলেন টেকপাড়ার বাসিন্দা ও লালদিঘীর পশ্চিম পাড়ের সাতকানিয়া হোটেলের ম্যানেজার ইকবাল হোসেন, মধ্যম বাহারছড়ার মো. সেলিম রেজা, খুরুশকুল তেতৈয়া সওদাগর পাড়ার মোহাম্মদ ওমর হাছান, একই ইউনিয়নের পূর্ব হামজার ডেইলের আনছারুল করিম (৩২), ভারুয়াখালী সাবেক পাড়ার মিজানুর রহমান এবং নতুন বাহারছড়া এলাকার বাসিন্দা মোহাম্মদ হারুন মিয়া।
কক্সবাজার সদর মডেল থানা সূত্রে জানানো হয়েছে, শহর ও ইউনিয়ন পর্যায়ের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং ছিনতাইকারী ও অপরাধীদের তৎপরতা নিমূলে থানা পুলিশের এই বিশেষ চিরুনি অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেপ্তারকৃত ২৭ জন আসামির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণপূর্বক বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হচ্ছে।