# আসন পুনরুদ্ধারে কৌশলী জামায়াত
# মোটর ভোটার : ৫ লাখ ৩৩ হাজার ৯৫, কেন্দ্র : ১৫৯
কক্সবাজার-১ আসনটি চকরিয়া ও পেকুয়া উপজেলা নিয়ে গঠিত। যে আসনটির চার বারের সংসদ সদস্য ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ। একবার তাঁর স্ত্রী হাসিনা আহমদও এই আসনের সংসদ সদস্য। ফলে আসনটির নির্বাচনী মাঠে অভিজ্ঞ খেলোয়াড় হিসেবে পরিচিত বিএনপির এই শীর্ষ নেতা।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এই আসনের এবারের বিএনপির দলীয় প্রার্থী সালাহউদ্দিন আহমদ নিজেই। তফসীল ঘোষণার পর থেকে সারা দেশের মতো কক্সবাজার–১ (চকরিয়া–পেকুয়া) সংসদীয় আসনটিরও নির্বাচনী মাঠ উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। গ্রাম থেকে বাজার, হাট থেকে চায়ের দোকান সবখানেই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু কে হচ্ছেন পরবর্তী সংসদ সদস্য।
যেখানে সকল সমীকরণ এখনো বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদকে ঘিরে। এবার নির্বাচনে আসনটিতে ৫ প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন। কিন্তু যাচাই-বাছাইকালে ২ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র অবৈধ ঘোষণা করেছে জেলা রিটানিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান। একই সঙ্গে অপর ৩ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।
এই আসনটিতে মনোনয়নপত্র দাখিলকারি বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ, জামায়াতের প্রার্থী আব্দুল্লাহ আল ফারুখ, গণঅধিকার পরিষদের (জিওপি) প্রার্থী মো. আব্দুল কাদেরের মনোনয়নপত্র বৈধ হয়েছে।
অবৈধ ঘোষণা হয়েছে ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী মো. ছরওয়ার আলম কুতুবী ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. সাইফুল ইসলামের মনোনয়নপত্র।
ফলে এখন অভিজ্ঞ সালাহউদ্দিন আহমদের সামনে নবীন দুই প্রার্থী। তারা কতটুকু মাঠে যোগ্যতার প্রমাণ দেবেন? তবে নবীন হলেও এই দুই প্রার্থী এখন সালাহউদ্দিনের সামনে অন্যতম প্রতিদ্বন্দ্বি।
কেননা ১৯৯১ সালের নির্বাচনে আসনটি থেকে জামায়াত প্রার্থী এনামুল হক মঞ্জু নির্বাচিত হয়েছিলেন। এবার দলটি থেকে ওই আসনে জামায়াতের প্রার্থী হয়েছেন আব্দুল্লাহ আল-ফারুক। দলীয় শৃঙ্খলা ও সংগঠনের শক্তিকে সামনে রেখে তিনি মাঠে নেমেছেন। আর কৌশলগতভাবে এই আসনটি পুনঃরুদ্ধারে মরিয়া হয়ে তৎপরতা চালাচ্ছে জামায়াত।
#ভোটার ও এলাকার চিত্র :
কক্সবাজার জেলা নির্বাচন অফিস এর তথ্য মতে, এ আসনের মোট ৫ লাখ ৩৩ হাজার ৯৫ জন ভোটারের মধ্যে চকরিয়া উপজেলার ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৮৬ হাজার ৪৯৬ জন। তার মধ্যে, পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৫ হাজার ৪৩৫ জন এবং নারী ভোটার ১ লাখ ৮১ হাজার ৬১ জন। পেকুয়া উপজেলার ভোটার সংখ্যা ১ লাখ ৪৬ হাজার ৫৯৯ জন। তার মধ্যে, পুরুষ ভোটার ৭৯ হাজার ৩৭৫ জন এবং নারী ভোটার ৬৭ হাজার ২২৪ জন।
এ আসনে মোট ভোট কেন্দ্র ১৫৯ টি। তার মধ্যে, চকরিয়া উপজেলায় ভোট কেন্দ্র ১১৬টি। পেকুয়া উপজেলায় ভোট কেন্দ্র ৪৩ টি। এ আসনের পেকুয়া উপজেলায় দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের চেয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট কেন্দ্র কমেছে একটি। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পেকুয়া উপজেলায় ভোট কেন্দ্র ছিলো মোট ৪৪ টি।
এ আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য প্রস্তাবিত ১৫৯ টি ভোট কেন্দ্রে মোট বুথ সংখ্যা ৯৯১ টি। তারমধ্যে, পুরুষ বুথ ৪৯২ টি। নারী বুথ ৪৯৯ টি। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সাথে সরকার একইদিনে গণভোট করার সিদ্ধান্ত নেওয়ায় ভোট কেন্দ্র গুলোতে বুথ সংখ্যা আরো বাড়তে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সুত্র জানিয়েছে।
কৃষি, মৎস্য, ক্ষুদ্র ব্যবসা ও প্রবাসী আয় এই এলাকার অর্থনীতির প্রধান চালিকাশক্তি। তবে দীর্ঘদিন ধরে যোগাযোগ ব্যবস্থা, নদীভাঙন, জলাবদ্ধতা, কর্মসংস্থানের অভাব এবং স্বাস্থ্যসেবার সীমাবদ্ধতা এখানকার মানুষের বড় সমস্যা।
স্থানীয় ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তারা এবার উন্নয়নমূলক প্রতিশ্রুতির পাশাপাশি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন চান। একাধিক ভোটার বলেন, 'ভোট দিতে চাই নির্ভয়ে। যাকে খুশি তাকেই ভোট দিতে পারব—এই নিশ্চয়তা আগে দরকার।'
তরুণ ভোটারদের বড় একটি অংশ কর্মসংস্থান ও শিক্ষা নিয়ে ভাবছেন, আর বয়স্ক ভোটারদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে সামাজিক নিরাপত্তা ও কৃষি সহায়তা।
# আগের নির্বাচনে যারা জয়ী হয়েছিলেন :
নির্বাচন কমিশনের তথ্য মতে, সর্বশেষ ২০০৮ সালের নির্বাচনে এই আসনটিতে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন হাছিনা আহমেদ। ওই নির্বাচনে আওয়ামীলীগের প্রার্থী সালাহউদ্দিন আহমেদ সিআইপিকে পরাজিত করে নির্বাচিত হন তিনি। তখন হাছিনা আহমেদ পান ১ লাখ ৫৬ হাজার ৫১২ ভোট। পরাজিত প্রার্থী সালাহউদ্দিন আহমেদ সিআইপির প্রাপ্ত ভোট ছিল ১ লাখ ২১ হাজার ১১১ ভোট।
এর আগে ২০০১ সালের নির্বাচনে নির্বাচিত হন সালাহউদ্দিন আহমেদ। ওই নির্বাচনে সালাহউদ্দিন আহমেদের প্রাপ্ত ভোট ছিল ১ লাখ ৩৪ হাজার ৬০২। পরাজিত আওয়ামীলীগের প্রার্থী সালাহউদ্দিন আহমেদ সিআইপি পেয়েছিলেন ৭৪ হাজার ২৯৭ ভোট। এর আগে ১৯৯৬ সালের নির্বাচনেও নির্বাচিত হন সালাহউদ্দিন আহমেদ। ওই নির্বাচনে সালাহউদ্দিন আহমেদের প্রাপ্ত ভোট ছিল ৭২ হাজার ৫৯৪। পরাজিত আওয়ামীলীগের প্রার্থী সালাহউদ্দিন আহমেদ সিআইপি পেয়েছিলেন ৫০ হাজার ৮২৯ ভোট। এছাড়া ১৯৯৬ সালের ফেব্রুয়ারি নির্বাচনেও সালাহউদ্দিন আহমেদ নির্বাচিত এই আসনে।
এর আগে ১৯৯১ সালের নির্বাচনে আসনটি থেকে জামায়াত প্রার্থী এনামুল হক মঞ্জু নির্বাচিত হয়েছিলেন। ওই নির্বাচনে এনামুল হক মঞ্জুর প্রাপ্ত ভোট ছিল ৩৭ হাজার ৮৯৩টি। পরাজিত আওয়ামীলীগ প্রার্থী এডভোকেট জহিরুল ইসলাম পেয়েছিলেন ৩২ হাজার ৮৪৯ ভোট।
স্থানীয় বাসিন্দা ও নানা পেশাজীবীর মতে, কক্সবাজার–১ আসনে ভোটের ফল নির্ভর করবে তিনটি বিষয়ের ওপর ভোটার উপস্থিতি, প্রার্থীদের ব্যক্তিগত গ্রহণযোগ্যতা এবং নির্বাচনের পরিবেশ। বিএনপি প্রার্থী সালাহউদ্দিন আহমদের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও জাতীয় পর্যায়ের পরিচিতি যেমন একটি বড় ফ্যাক্টর, তেমনি জামায়াত প্রার্থীর সংগঠিত ভোটব্যাংকও উপেক্ষা করার মতো নয়।
সব মিলিয়ে কক্সবাজার–১ আসনে নির্বাচন শুধু স্থানীয় প্রতিনিধিত্ব নির্ধারণ করবে না, বরং জাতীয় রাজনীতির চলমান টানাপোড়েনের প্রতিফলনও ঘটাবে। এখন দেখার বিষয়, শেষ পর্যন্ত ভোটের রায়ে কার হাতে যায় চকরিয়া–পেকুয়ার প্রতিনিধিত্ব।
#ভোটারা যা বলছেন :
চকরিয়া উপজেলার কাকরা ইউনিয়নের কৃষক আব্দুর রহমান (৫২) বলেন, 'আমরা উন্নয়ন চাই, কিন্তু তার চেয়েও বেশি চাই শান্তিপূর্ণ ভোট। ভোট দিতে গিয়ে ভয় না পেয়ে কেন্দ্রে যেতে পারলে তবেই গণতন্ত্রের মানে থাকে। পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিয়েই জয়ী করতে চায়।'
নারী ভোটার পেকুয়ার গৃহিনী রাশিদা বেগম (৪৫) বলেন, 'আগে ভোট কেন্দ্রে গেলে অনেক সময় চাপ থাকে। এবার চাই নিজের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে। এলাকার রাস্তা-ঘাট আর স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন দরকার।'
চকরিয়া কলেজের শিক্ষার্থী সাইফুল ইসলাম (২৩) যিনি প্রথম ভোটটি দেবেন। তিনি বলেন, 'আমরা শুধু স্লোগান না, কাজ দেখতে চাই। পড়াশোনা শেষে যেন চাকরির জন্য বাইরে ছুটতে না হয়, এটাই আমাদের সবচেয়ে বড় দাবি।'
পেকুয়া বাজারের ব্যবসায়ী মো. ইলিয়াস (৪০) বলেন, 'ব্যবসা করতে গিয়ে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তি হয় যোগাযোগ ব্যবস্থায়। যে প্রার্থী এসব সমস্যা বাস্তবভাবে সমাধান করবে, তাকেই ভোট দেব।'
বদরখালীর জেলে নূর মোহাম্মদ (৩৮) বলেন, 'মাছ ধরতে গিয়ে আমরা ঝুঁকি নেই, কিন্তু সুবিধা পাই কম। জেলেদের নিরাপত্তা আর ন্যায্য সহায়তা দরকার।'
অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা আলাউদ্দিন (৬৭) বলেন, 'আমরা জীবনের অনেক নির্বাচন দেখেছি। এবার চাই একটি গ্রহণযোগ্য ভোট। সামাজিক নিরাপত্তা ভাতা আর চিকিৎসা সেবার দিকেও নজর দিতে হবে।'
কলেজ ছাত্রী তানজিনা আক্তার (২১) বলেন, 'প্রথম বারের মতো ভাট দেবো। দেখে শোনে দেব। এখানে নারীদের কর্মসংস্থান আর নিরাপত্তা খুব জরুরি। রাজনীতি মানে শুধু ক্ষমতা নয়, মানুষের জীবনে পরিবর্তন আনা।'
# প্রধান ২ প্রার্থীর প্রতিশ্রুতি :
আসনটির প্রধান ২ প্রার্থী বিএনপির সালাহউদ্দিন আহমেদ ও জামায়াতের আব্দুল্লাহ আল-ফারুক। যারা মাঠে গণসংযোগ করে নানা প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
চকরিয়া-পেকুয়ায় গণসংযোগ ও পথসভায় বিএনপি প্রার্থী সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, উন্নয়ন ও গণতন্ত্র পুণরুদ্ধারই তার প্রধান লক্ষ্য। অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করা হবে, যাতে ভোটাররা নির্ভয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন।
তিনি চকরিয়া–পেকুয়া অঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থার আমূল উন্নয়ন, বিশেষ করে গ্রামীণ সড়ক, সেতু ও কালভার্ট নির্মাণ। নদীভাঙন ও জলাবদ্ধতা সমস্যার স্থায়ী সমাধানে কার্যকর প্রকল্প গ্রহণ। কৃষক, জেলে ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য স্বল্পসুদে ঋণ ও সরকারি সহায়তা বৃদ্ধি। তরুণদের কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে শিল্পাঞ্চল, প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ও কারিগরি শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণ। স্বাস্থ্যসেবা জোরদারে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স আধুনিকীকরণ ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক নিশ্চিত করা। রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বন্ধ করে এলাকায় শান্তি ও সহাবস্থান প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, 'এই এলাকা আমার চেনা। জনগণের পাশে থেকে তাদের সমস্যা সমাধান করাই আমার রাজনীতির মূল উদ্দেশ্য।
সালাহউদ্দিন আহমদ চট্রগ্রাম কক্সবাজার মহাসড়ক ৬ লাইন করার প্রতিশ্রুত দিয়ে বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় গেলে পেকুয়া–চকরিয়ায় ভরপুর উন্নয়ন হবে। সকল সুযোগ-সুবিধা সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া হবে।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, জীবন থেকে দীর্ঘবছর নির্বাসনে ছিলাম। শেখ হাসিনা আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যে গুম করেছিল কিন্তু আমার এলাকার মানুষের দোয়া ছিল বলে আল্লাহ আমাকে বাচিঁয়ে রেখেছেন। ৫ দিন আমি আমার নির্বাচনী এলাকায় গণসংযোগ করেছি। গণসংযোগে লক্ষ্য করেছি হাজার হাজার নারী পুরুষ আমাকে এক নজর দেখার জন্য ছুটে এসেছেন। বুকে জড়িয়ে নিয়েছেন, চোঁখের অশ্রু ফেলেছেন আর কি পাওয়ার আছে।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, আমি চকরিয়া পেকুয়ার মানুষদের জন্য নিজের জীবন বিলিয়ে দিয়েছি। তারা আমি কারাগারে থাকা অবস্থায় আমার চেয়েও বেশি ভোট প্রদান করে আমার স্ত্রীকে সংসদে পাঠিয়েছিল। তাই তারা এই জনপদের মানুষের কাছে কৃতজ্ঞ। কোন কৌশলগত নয়, আমি আশাবাদী চকরিয়া-পেকুয়ার উন্নয়নের জন্য তারা আমাকে ভোট প্রদান করবেন।
অপরদিকে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আব্দুল্লাহ আল-ফারুক গণসংযোগে নৈতিকতা ও সুশাসনকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা বলেন।
তার ঘোষিত প্রতিশ্রুতিগুলোর মধ্যে রয়েছে, দুর্নীতিমুক্ত, জবাবদিহিমূলক ও ন্যায়ভিত্তিক নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠা। রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপচয় রোধ এবং স্থানীয় উন্নয়ন কাজে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা। শিক্ষা খাতে নৈতিক শিক্ষা ও মানসম্মত পাঠদানের পরিবেশ গড়ে তোলা। বেকার যুবকদের জন্য কর্মমুখী প্রশিক্ষণ ও স্বনির্ভর প্রকল্প চালু। ইসলামি মূল্যবোধ ও সামাজিক শৃঙ্খলা বজায় রেখে সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠা। দরিদ্র ও অসহায় মানুষের জন্য সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি সম্প্রসারণ। নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা এবং পরিবারকেন্দ্রিক সমাজব্যবস্থা শক্তিশালী করা।
আব্দুল্লাহ আল-ফারুক বলেন, 'এই আসনে মানুষ পরিবর্তন চায়। আমরা ক্ষমতার রাজনীতি নয়, আমানতের রাজনীতি করতে চাই। যুব সমাজকে দক্ষ করে তুলতে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন এবং নারীদের জন্য আত্মকর্মসংস্থান প্রকল্প চালু করা হবে।'
আব্দুল্লাহ আল ফারুক বলেন, দলের সিদ্ধান্তে গত ১ বছরের অধিক সময় ধরে মাঠে কাজ করছি। বিশেষ করে যুবক সমাজের ব্যাপক সাড়া পাচ্ছি। যদি নির্বাচিত হয় চকরিয়া-পেকুয়ার চিত্র পরিবর্তন করে দিব ইনশাআল্লাহ।