নাফ নদী সাঁতরে মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে, সঙ্গে ইয়াবার চালান। কক্সবাজারের টেকনাফের একটি বাড়িতে আশ্রয় নিয়ে ইয়াবা পাচারের পাশাপাশি ফেরার পথে বাংলাদেশ থেকে মিয়ানমারে ঔষধ পাচারেরও ছক কষছিল মাদক কারবারিরা।
রোববার (০৬ সেপ্টেম্বর) ভোরে কোস্টগার্ডের অভিযানে দুইজন আটক হওয়ার পর ফাঁস হয় চাঞ্চল্যকর এই তথ্য। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আটক করা হয় বাড়ির মালিক ও বাংলাদেশি মাদক কারবারিকেও।
কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লে. কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বলেন, টেকনাফের নাইট্যংপাড়া এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে কোস্টগার্ড। এ সময় সন্দেহজনক একটি বসতবাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে ২০ হাজার পিস ইয়াবা ও মিয়ানমারে পাচারের উদ্দেশ্যে বহন করা বিভিন্ন ধরনের ঔষধসহ দুই মিয়ানমারের নাগরিককে আটক করা হয়।
তিনি বলেন, আটক দুইজনকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, তারা ইয়াবার চালান নিয়ে মিয়ানমার থেকে নাফ নদী সাঁতরে বাংলাদেশে প্রবেশ করে ওই বাড়িতে অবস্থান করছিল। বাড়ির মালিকের নেতৃত্বে ইয়াবাসহ বাংলাদেশে অবৈধভাবে প্রবেশের পর ফেরার সময় বাংলাদেশ থেকে মিয়ানমারে বিভিন্ন ধরনের ঔষধ পাচারের পরিকল্পনাও ছিল তাদের।
পরে আটক ব্যক্তিদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বাড়ির মালিক ও বাংলাদেশি নাগরিক এক মাদক কারবারিকেও আটক করা হয়।
লে. কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন আরও বলেন, জব্দ করা ইয়াবা, ঔষধ ও আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। ভয়াবহ মাদকের বিস্তার রোধে কোস্টগার্ড ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখবে।