সাইফুল আফ্রিদি
কক্সবাজারে ২০১৫ সাল থেকে ২০২৩ পর্যন্ত ৯ বছরে সমুদ্রে যত প্রাণ গেছে, গত তিন বছরেই তার সমান পর্যটকের মৃত্যু হয়েছে। কেউ এসেছিলেন ছুটি কাটাতে, কেউ পরিবারের সঙ্গে, কেউ বন্ধুদের নিয়ে। সমুদ্র দেখতে এসে শেষ পর্যন্ত অনেকেই ফিরেছেন লাশ হয়ে। আবার কেউ স্রোতে ভেসে যাওয়ার পর স্বজনেরা দিনের পর দিন অপেক্ষা করেছেন তাঁর ফিরে আসার আশায়। কিন্তু এখনো ফিরেননি অনেকেই।
কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে ২০১৫ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত নয় বছরে লাইফগার্ড এলাকার বাইরে ডুবে ৪০ জনের মৃত্যু হয়েছিল। ২০২৪ সাল থেকে ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময়েই প্রায় তিন বছরেই প্রাণ গেছে আরও ৪০ জনের। একই সময়ে জীবিত উদ্ধারের সংখ্যাও বেড়েছে। সমুদ্রে পর্যটকের নিরাপত্তায় কাজ করা সী সেইফ লাইফগার্ডের দেওয়া পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করে এসব তথ্য জানা গেছে।
পর্যটকের চাপ বেড়েছে, সমুদ্রের ঝুঁকির চেহারাও বদলেছে। কিন্তু পর্যটকের গোসলের নিরাপত্তায় লাইফগার্ডের সংখ্যা বাড়েনি, আগের মতোই ২৭ জন।
পর্যটকের চাপের পাশাপাশি স্রোতের গতিপথ, গর্ত ও ক্যানেলের অবস্থান বদল, নিরাপত্তা ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতা এবং পর্যটকদের অসচেতনতা ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের সচেতনতামূলক প্রচারণাকেই এর কারণ হিসেবে দেখছেন সমুদ্রবিজ্ঞানী, সচেতন নাগরিক ও পর্যটন সংশ্লিষ্টরা।
বাংলাদেশ ওশানোগ্রাফিক রিসার্চ ইনস্টিটিউটের সিনিয়র বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা আবু শরীফ মাহবুব-ই-কিবরিয়া বলেন, কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের বালুচরের নিচে প্লাস্টিক জমে থাকায় মাটির গঠন দুর্বল হয়ে ‘লুজ সয়েল’ তৈরি হচ্ছে। একই সঙ্গে আগে বালিয়াড়িতে থাকা সাগরলতা নষ্ট হয়ে যাওয়ায় বালু ও মাটি আঁকড়ে ধরে রাখার প্রাকৃতিক সক্ষমতাও কমে গেছে। এর ফলে সৈকতের বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্ত ও রিপ কারেন্ট চ্যানেল তৈরি হচ্ছে, যা গত দুই-তিন বছরে বিশেষভাবে দেখা যাচ্ছে। সুগন্ধা, লাবণী ও কলাতলী পয়েন্টে এমন পরিবর্তন লক্ষ্য করা গেছে।
তিনি বলেন, 'এখন কক্সবাজারে সিজন বলে কোনো কথা নেই। ট্রেন আসার পর থেকেই প্রায় সারা বছরই পর্যটক থাকছেন। পর্যটক বেড়েছে, কিন্তু সেভাবে আমরা পরিবেশটা রক্ষা করতে পারছি না।'
আবু শরীফ মাহবুব-ই-কিবরিয়া বলেন, শহরের বর্জ্যপানি সরাসরি সমুদ্রে পড়ার ঘটনাও দেখা যাচ্ছে। এর সঙ্গে ময়লা-আবর্জনা সৈকতে এসে জমে বালুর গঠন দুর্বল করছে। বর্ষার সময় বিস্তৃত হয়েছে। এতে অতিবৃষ্টির ফলে সৈকতের বালু নরম হয়ে যাচ্ছে। ফলে জোয়ার-ভাটার সময় সৈকতের বালু এক স্থান থেকে অন্য স্থানে সরে যাচ্ছে এবং সৈকতের বিভিন্ন অংশ একেক সময় একেক ধরনের আচরণ করছে।
তার মতে, সমুদ্রসৈকতের এই পরিবর্তন মোকাবিলায় বিভিন্ন অংশীজনকে নিয়ে সমন্বিত ব্যবস্থাপনা প্রয়োজন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোন এলাকায় পর্যটকরা গোসলে নামতে পারবেন, কোন এলাকা ঝুঁকিপূর্ণ বা বন্ধ থাকবে তা নির্ধারণ করা জরুরি। তা না হলে সামনে সৈকতে দুর্ঘটনা ও পরিবেশগত বিপর্যয় আরও বাড়তে পারে।
লাইফগার্ড ও বিচকর্মীরা বলছেন, ২০২৩ সালের ১ ডিসেম্বর কক্সবাজারে ট্রেন চলাচল শুরু হয়। এরপর পর্যটকের চাপে বড় পরিবর্তন আসে। আগে ভিড় সামলাতে হতো মূলত সাপ্তাহিক ছুটিতে, এখন সপ্তাহের অন্য দিনেও সৈকতে ভিড় থাকে।
কক্সবাজার রেলস্টেশনের স্টেশন মাস্টার জয়নাল আবেদীন জানান, ট্রেন চালুর পর থেকে ২০২৪ সালের জুন পর্যন্ত ট্রেনে কক্সবাজারে আসেন ৩ লাখ ২১ হাজার ৮১৩ জন। ২০২৪ সালের জুলাই থেকে ২০২৫ সালের জুন পর্যন্ত এ সংখ্যা দাঁড়ায় ৮ লাখ ৪ হাজার ৯২৮ জনে। ২০২৫ সালের জুলাই থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত আসে ৯ লাখ ৮৯ হাজার ৭২২জন । বাস ও বিমানযোগেও পর্যটক আসছেন।
সী-সেইফ লাইফগার্ডের ২০১৫ থেকে ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পরিসংখ্যানে দেখা যায়, ২০১৫ সালে সমুদ্রে ডুবে মারা যান ১০ জন এবং ৯৫ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়। ২০১৬ সালে ৫৬ জন উদ্ধার ও ৬ জনের মৃত্যু হয়। ২০১৭ সালে ২৮ জন উদ্ধার ও দুজনের মৃত্যু, ২০১৮ সালে ৪৩ জন উদ্ধার ও দুজনের মৃত্যু, ২০১৯ সালে ৫৪ জন উদ্ধার ও তিনজনের মৃত্যু এবং ২০২০ সালে ৩৯ জন উদ্ধার ও দুজনের মৃত্যু হয়। ২০২১ সালে ৭০ জন উদ্ধার ও তিনজনের মৃত্যু, ২০২২ সালে ১১৫ জন উদ্ধার ও ছয়জনের মৃত্যু এবং ২০২৩ সালে ৯৯ জন উদ্ধার ও ছয়জনের মৃত্যু হয়।
এরপর বদলে যায় এই পরিসংখ্যানের চিত্র । ২০২৪ সালে ১৪৩ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হলেও ডুবে মারা যান ১২ জন। ২০২৫ সালে ২১০ জনকে মৃত্যুমুখ থেকে ফিরিয়ে আনা গেলেও মারা যান ২০ জন। মৃত্যু ও উদ্ধার দুটোই এক বছরের হিসাবে সর্বোচ্চ। ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ১২৫ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে, মৃত্যু হয়েছে আটজনের।
২০১৫ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত নয় বছরে লাইফগার্ড এলাকার বাইরে ডুবে ৪০ জনের মৃত্যু হয়েছে, জীবিত উদ্ধার হয়েছেন ৫৯৯ জন। ২০২৪ থেকে ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রায় তিন বছরে মৃত্যু হয়েছে আরও ৪০ জনের আর উদ্ধার হয় ৪৭৮ জন। অর্থাৎ আগের নয় বছরের সমান মৃত্যু ঘটেছে পরের প্রায় তিন বছরে। আর উদ্ধার হয়েছে আগের নয় বছরের প্রায় ৮০ শতাংশ। বছরে গড়ে মৃত্যু প্রায় চারজন থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৪ জনের বেশি। আগে প্রতি ১৫ জন উদ্ধারের বিপরীতে একজনের মৃত্যু হতো, এখন প্রতি প্রায় ১২ জনে একজন।
পরিসংখ্যানের এই পরিবর্তন শুধু মৃত্যুর সংখ্যা বৃদ্ধি নয়; এটি সমুদ্রে বিপদে পড়া মানুষের সংখ্যাও বাড়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে। অর্থাৎ প্রতিদিন সৈকতে আসা মানুষের ভিড়ের সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে উদ্ধারকর্মীদের ওপরও নির্ভরতা।
সী-সেইফ লাইফগার্ডের আঞ্চলিক পরিচালক ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, ট্রেন চালুর পর কক্সবাজারে পর্যটকের চাপ বেড়েছে। আগে ছুটির দিনে চাপ সামলাতে হতো, এখন সপ্তাহের অন্য দিনেও চাপ থাকে। ফলে স্বল্পসংখ্যক লাইফগার্ডের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সমুদ্রের গতিপথ, গর্ত ও ক্যানেলের অবস্থান বদলেছে। লাইফগার্ডকর্মীরা সৈকতের তিনটি পয়েন্টে সতর্ক অবস্থানে থাকলেও পর্যটকের তুলনায় তাঁদের সংখ্যা কম। পর্যটক বেড়েছে, কিন্তু লাইফগার্ড ও অন্যান্য সেবা সেই অনুপাতে বাড়েনি। উন্নত সরঞ্জামেরও ঘাটতি আছে। এসব কারণে বাড়তি চাপ সামলানো কঠিন হয়ে পড়েছে।
প্রতিদিন সৈকতে আসা বিপুলসংখ্যক পর্যটকের নিরাপত্তায় আছেন মাত্র ২৭ জন লাইফগার্ডকর্মী। তিনটি পয়েন্টে পতাকা টাঙিয়ে তাঁরা নিরাপদ জায়গায় গোসলের নির্দেশনা দেন। দায়িত্ব পালন করতে হয় দুই শিফটে। অর্থাৎ যে সৈকতে মানুষের সংখ্যা বেড়েছে, যে সমুদ্রের ঝুঁকির ধরন বদলেছে, যে সৈকত থেকে প্রতিদিন মানুষকে উদ্ধার করতে হচ্ছে সেই সৈকতের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা মানুষের সংখ্যা রয়ে গেছে ২৭ জনেই।
লাইফগার্ডকর্মী জয়নাল বলেন, তাঁদের উন্নত কোনো প্রযুক্তি নেই। অ্যাম্বুলেন্স কিংবা দ্রুত ঘটনাস্থলে যাওয়ার মতো যানও নেই। ফলে তাৎক্ষণিক উদ্ধার সম্ভব হয় না। রেসকিউ বোট নিয়ে পৌঁছাতে পৌঁছাতে অনেকসময় স্রোতে ভেসে যাওয়া পর্যটক তলিয়ে যায়।
সিনিয়র লাইফগার্ড ভুট্রো বলেন, সাম্প্রতিক মৃত্যুর বেশিরভাগ ঘটেছে অনিরাপদ স্থানে, সমুদ্রের পরিবেশ না বুঝে বিপজ্জনক জায়গায় নেমে। অনেক পর্যটক নির্দেশনা মানেন না, গোসলের নিয়ম জানেন না, অনেক ক্ষেত্রে জানতেও চান না।
তিনি আরও বলেন, সমুদ্র সৈকতের লাবণী, সুগন্ধা ও কলাতলীর প্রতিটি পয়েন্টের ৩শ - ৪শ মিটার এলাকা মূলত লাইফগার্ড এরিয়ার আওতায় থাকে। প্রতি পয়েন্টে ৪ জন করে লাইফগার্ড পর্যটকদের গোসলে নিরাপত্তায় কাজ করে। এই জায়গাগুলোতে দুই পাশে পতাকা গেঁড়ে গোসলের নিরাপদ এরিয়া হিসেবে চিহ্নিত করা থাকে। এর বাইরের অংশগুলো গোসলের জন্য অনিরাপদ। অর্থাৎ তিন কিলোমিটার সৈকতের প্রায় দেড় কিলোমিটার পর্যন্ত নিরাপদ যা লাইফগার্ডের আওতাভুক্ত এলাকা। বাকি সমুদ্র সৈকত বিপদজনক এরিয়া। পর্যটকেরা এবিষয়টা ঠিকঠাক না জেনে তিন কিলোমিটার সৈকতের সব জায়গায় সমুদ্রে গোসলে নেমে পড়েন।
সরেজমিনে লাইফগার্ড এরিয়ার বাইরে গিয়ে দেখা যায়, চোখে পড়ার মতো কোথাও কোন বড় ধরনের সাইনবোর্ড নেই, নির্দেশনা নেই। ফলে সমুদ্র দেখলেই নেমে পড়ে পর্যটকেরা।
বিচকর্মীদের সুপারভাইজার মাহবুব রহমান বলেন, সন্ধ্যার পর গোসলে নামা নিষেধ হলেও অনেকে নামছেন এবং মৃত্যুর মুখে পড়ছেন। গত ২৪ জুলাই সায়মন বিচের সামনে সন্ধ্যার পর গোসলে নেমে নিখোঁজ হন পর্যটক হেলাল শেখ। গত ১৮ সেপ্টেম্বর সুগন্ধার অদূরে গ্রিন নেচার রিসোর্টের সামনে সন্ধ্যা ছয়টার পর সমুদ্রে নেমে ডুবে মারা যান কিশোরগঞ্জের কলেজছাত্র সীমান্ত।
এর আগে ২০২৫ সালের ৭ জুলাই হিমছড়ি সৈকতে গোসলে নেমে স্রোতে ভেসে যান চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন শিক্ষার্থী অরিত্র হাসান, কে এম সাদমান রহমান ও আসিফ আহমেদ। দুজনের মরদেহ মিলেছে। অরিত্র এখনো নিখোঁজ। যার সবকটিই দুর্ঘটনাই অনিরাপদ স্থানে ও অসচেতনতায় ঘটেছে।
কক্সবাজার নাগরিক আন্দোলনের সদস্যসচিব এইচ এম নজরুল ইসলাম বলেন, পুরো কক্সবাজারের পর্যটনশিল্প সমুদ্রসৈকতকে ঘিরে নির্ভরশীল হয়ে উঠলেও স্বাধীনতার ৫৫ বছর পরও পর্যটনসংশ্লিষ্ট রাষ্ট্রীয় দপ্তরগুলো একটি পরিপূর্ণ লাইফগার্ড ব্যবস্থা গড়ে তুলতে পারেনি। অথচ বিচ ম্যানেজমেন্টের নামে প্রতি বছর কোটি কোটি টাকা আয় হচ্ছে।
তিনি বলেন, কয়েক বছর ধরে বেসরকারি ও এনজিওনির্ভর একটি সংস্থা ২৭ জন লাইফগার্ড কর্মী নিয়ে কোনোভাবে হাজার হাজার পর্যটকের সমুদ্রস্নানে নিরাপত্তা দিয়ে যাচ্ছে। অথচ সমুদ্রসৈকতে পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব সম্পূর্ণভাবে জেলা প্রশাসন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের নেওয়া উচিত ছিল। সমুদ্রসৈকতে মৃত্যুর মিছিল থামাতে হলে দ্রুত সরকারি ব্যবস্থাপনায় আধুনিক উদ্ধার সরঞ্জাম ও প্রশিক্ষিত উদ্ধারকর্মী নিয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ লাইফগার্ড প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা এখন সময়ের দাবি।
কক্সবাজার ট্যুরিস্ট পুলিশ রিজিয়নের পুলিশ সুপার মো. মারুফাত হোসাইন বলেন, আগের চেয়ে পর্যটক বেড়েছে। সতর্ক করতে নিয়মিত মাইকিং চলছে। টহল দিচ্ছে, অপরাধ দমনে নিয়মিত অভিযান চলছে। তবে পর্যটকদের অসতর্কতায় অনিরাপদ স্থানে গোসলে নামার ঘটনাও ঘটছে।
সী-সেইফ লাইফগার্ডের হিসাবে ২০১৫ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত সৈকতে ৮০ জনের মৃত্যু হয়েছে, জীবিত উদ্ধার হয়েছেন ১ হাজার ৭৭ জন। এ সময়ে সৈকতে হারিয়ে যাওয়া ১০৬ শিশুকে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে, ৪৯ লাখ ৯ হাজার ৬৫৫ জনকে সচেতন করা হয়েছে এবং ১০৪ জনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
পর্যটক বাড়ার সঙ্গে উদ্ধার তৎপরতার প্রয়োজনও বেড়েছে। কিন্তু আগের নয় বছরে যত মানুষ মারা গিয়েছিল, পরের প্রায় তিন বছরেই মারা গেছেন তত জন।
ফলে প্রশ্নটি শুধু পর্যটকের অসচেতনতার নয়। পর্যটকের চাপ, সমুদ্রের বদলে যাওয়া ঝুঁকি আর নিরাপত্তার চাহিদার সঙ্গে উদ্ধার ব্যবস্থার সক্ষমতা কতটা তাল মিলিয়ে চলছে সেই প্রশ্নও সামনে এসেছে।
এই বিষয়ে কক্সবাজার জেলা প্রশাসক আব্দুল মান্নান বলেন, লাইফগার্ড কর্মীরা আছে, পর্যটকের সেবায় তারা কাজ করছে। জনবল বাড়ানোর জন্য আমরা পর্যটন মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠিয়েছি।