মহেশখালীর সোনাদিয়া দ্বীপে প্যারাবন ধ্বংসকারীদের বিরুদ্ধে সরকার কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে বলে জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম। একইসঙ্গে সেখানে ধ্বংসপ্রাপ্ত প্যারাবন পুনরুদ্ধার ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে বর্তমান সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে বলেও জানান তিনি।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) দুই দিনের সরকারি সফরে কক্সবাজার পৌঁছে সোনাদিয়া দ্বীপের বিভিন্ন এলাকা ও বন বিভাগের বিট অফিস পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
পরিদর্শনকালে তিনি সরকারের ‘৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ’ কর্মসূচির আওতায় সোনাদিয়া দ্বীপে সৃজিত ৫০ হেক্টর ঝাউবাগান ঘুরে দেখেন এবং বাগানের সঠিক সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন। এছাড়া একই প্রকল্পের আওতায় প্রস্তাবিত কচ্ছপের হ্যাচারি এলাকা এবং বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) আওতাধীন ভূমিতে থাকা ধ্বংসপ্রাপ্ত প্যারাবন এলাকা পরিদর্শন করে বন পুনরুদ্ধারের বিষয়ে কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
সফর শেষে প্রতিমন্ত্রী সোনাদিয়া দ্বীপের স্থানীয় ভিসিজি- এর সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশ নেন। সভায় সোনাদিয়ার বনভূমির বর্তমান অবস্থা, ক্ষতিগ্রস্ত প্যারাবন পুনরুদ্ধার, সুরক্ষা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণে প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবস্থাপনা জোরদার করার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়।
এ সময় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর সফরসঙ্গী একান্ত সচিব (উপসচিব) মো. আলমগীর হুসাইন ও ব্যক্তিগত কর্মকর্তা রুহুল আমীন ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম অঞ্চলের বন সংরক্ষক মিহির কুমার দে, উপকূলীয় বন বিভাগের চট্টগ্রামের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা এম. এ. হাসান, পরিবেশ অধিদপ্তর কক্সবাজারের উপ-পরিচালক খন্দকার মাহমুদ পাশা, মহেশখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইমরান মাহমুদ ডালিম, সহকারী কমিশনার (ভূমি) রোবায়েত আহমেদ, জেলা বিএনপি নেতা আতাউল্লাহ বোখারীসহ বন বিভাগ, জেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।