দিনব্যাপী কর্মসূচি শেষ করে কক্সবাজার থেকে ঢাকায় ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
শনিবার (১৩ জুন) দিবাগত রাত ১টা ২৫ মিনিটের দিকে প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীদের বহন করা ইউএস বাংলা এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইট হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, কক্সবাজার বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়ন করে রাত ১২টায়।
এর আগে রাত ১১টায় মেরিনড্রাইভ সড়কে স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমানসহ প্রধানমন্ত্রী সমুদ্র সৈকতের সৌন্দর্য অবলোকন করেন।
চকরিয়ায় উপজেলা বিএনপি আয়োজিত জনসভা শেষে কক্সবাজার শহরে এসে স্থানীয় একটি হোটেলে প্রধানমন্ত্রী সুধী সমাবেশে কক্সবাজারের বিশিষ্টজনদের সাথে মতবিনিময়ে অংশ নেন। সকালে আকাশপথে ইউএস বাংলার একটি ফ্লাইটে কক্সবাজারে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। বিমানবন্দরে তাকে প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা স্বাগত জানান।
সফরের শুরুতেই তিনি কক্সবাজার সদর উপজেলার পিএমখালী এলাকায় যান। সেখানে তার বাবা, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান-এর স্মৃতিবিজড়িত পাতলী খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন করেন। উদ্বোধন শেষে স্থানীয় জনগণের উদ্দেশে আয়োজিত পথসভায় বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী।
পরে তিনি ডুলাহাজারা সাফারি পার্ক পরিদর্শন করেন এবং বৃক্ষরোপণ করেন। সেখান থেকে মালুমঘাট সংরক্ষিত বনাঞ্চলে গিয়ে বিএনপির নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন এবং নিজ হাতে গাছের চারা রোপণ করেন।
এরপর প্রধানমন্ত্রী কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলায় যান। সেখানে জুলাই আন্দোলনে চট্টগ্রামের প্রথম শহীদ ওয়াসিম আকরাম-এর কবর জিয়ারত করেন। পরে শহীদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তাদের খোঁজখবর নেন এবং পরিবারের হাতে ২০ লাখ টাকার পরিবার সঞ্চয়পত্র তুলে দেন।
পেকুয়া সফরে তিনি পেকুয়া পৌরসভার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। এ সময় উপস্থিত জনসাধারণের উদ্দেশে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন। এরপর তিনি মাতামুহুরি উপজেলা ও থানা প্রতিষ্ঠার ভিত্তিপ্রস্তরও স্থাপন করেন।
প্রধানমন্ত্রীর এ সফরকে ঘিরে কক্সবাজার জেলায় ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। জেলা প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থাগুলো সফর সফল করতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করে।