জেলা জামায়াতের আমীর অধ্যক্ষ মাওলানা নূর আহমদ আনোয়ারী বলেছেন, জেলা ব্যাপী আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতিতে আমরা উদ্বিগ্ন। জেলাবাসী উদ্বিগ্ন। নাগরিক সমাজ, ব্যবসায়ী ও পর্যটকরা উদ্বিগ্ন। সম্প্রতি এক দিনে ঈদগড় সড়কে পঞ্চাশ-ষাটটি গাড়িতে ডাকাতির ঘটনা দেশব্যাপী আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। যা আমাদের জন্য লজ্জাজনক। জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব, কিন্তু দুঃখজনকহলেও সত্য সরকার এক্ষেত্রে সম্পূর্ণ ব্যর্থতার পরিচয় দিচ্ছে। ভরা পর্যটন মৌসুমে ইনানী টুপটুপ রিসোর্টে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে দশজন পর্যটকের মর্মান্তিক মৃত্যু দেশব্যাপী চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে এক্ষেত্রেও প্রভাবশালী মহলের সরকারি নোটিশ আমলে না নেওয়ার অভিযোগ জনসম্মুখে প্রকাশ পেয়েছে। এহেন পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে পর্যটন রাজধানী হিসেবে কক্সবাজার দেশ-বিদেশে প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়বে। তাই দলীয় এবং প্রভাবশালী চিন্তা না করে সুশাসন, নিরাপত্তা ও সুরক্ষার জন্য অবিলম্বে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরি। ২৩ অক্টোবর (শুক্রবার) জামায়াতে ইসলামী টেকনাফ উপজেলা শাখার উদ্যোগে আয়োজিত পৃথক পৃথক ভাবে অনুষ্ঠিত দায়িত্বশীল ও কর্মী শিক্ষা বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।
তিনি আরো বলেন, দেশ ও সমাজের সর্বস্তরে নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করণ, নিরাপদ জনপদ তৈরি, দুর্নীতি মুক্ত দেশ গঠনে আল্লাহর ভয়ে ভীত মুমিনের বিকল্প নেই। তারই লক্ষে জামায়াতে ইসলামী সারা দেশে দেশ ও সমাজ পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় যোগ্য নেতৃত্ব তৈরির কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।
টেকনাফ উপজেলা আমীর মাওলানা মুহাম্মদ রফিকুল্লাহ এবং উপজেলা সহ-সেক্রেটারি সরওয়ার কামাল সিকদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত শিক্ষা বৈঠকে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা সেক্রেটারি জাহিদুল ইসলাম, জেলা কর্মপরিষদ সদস্য অধ্যক্ষ নূরুল হোছাইন সিদ্দিকী। উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সাংগঠনিক সেক্রেটারি হ্নীলা ইউনিয়ন আমির মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন নিজামী, উপজেলা বায়তুল মাল সেক্রেটারি ও হোয়াইক্যং ইউনিয়ন আমির মাওলানা মুহাম্মাদ হোছাইন, টেকনাফ পৌরসভা সভাপতি রবিউল আলম, বাহারছড়া ইউনিয়ন সভাপতি মুহাম্মদ ইসলাম, টেকনাফ পৌরসভার সাবেক মেয়র মুহাম্মদ ইসমাইলসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।