‘আজকের উদ্ভাবন, আগামীর সমৃদ্ধি’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে কক্সবাজারে বিশ্ব খাদ্য দিবস-২০২৬ পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) সকাল ১১টায় কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে একটি র্যালি বের করা হয়। র্যালি শেষে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. শহিদুল ইসলাম, জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মো. আবু কাউছার, জেলা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপপরিচালক
মোয়াজ্জেম হোসেন,সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ রাশেল রানা, বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির কর্মকর্তা মোহাম্মদ মারুফ, অতনু ভট্টাচার্য ও হিতৈষী খিশা, বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা মুক্তির পরিচালক (মনিটরিং) খায়রুল ইসলাম, কৃষি তথ্য সার্ভিস, কক্সবাজারের কর্মকর্তা মো. লোকমান হাকিমসহ সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা, কৃষক প্রতিনিধি, উদ্যোক্তা এবং কৃষক-কৃষাণীরা অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
আলোচনা সভায় বিশ্ব খাদ্য দিবসের তাৎপর্য, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, পুষ্টিসম্মত খাদ্য গ্রহণ এবং কৃষিতে আধুনিক প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের ব্যবহার নিয়ে আলোচনা করা হয়। টেকসই কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, কৃষকের জীবনমান উন্নয়ন এবং সবার জন্য নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাদ্য নিশ্চিত করতে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সমন্বিত উদ্যোগের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।
বক্তারা বলেন, ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার খাদ্যচাহিদা পূরণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কৃষিতে আধুনিক প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনী পদ্ধতির ব্যবহার বাড়াতে হবে। পাশাপাশি কৃষকদের দক্ষতা বৃদ্ধি, কৃষিপণ্যের অপচয় রোধ এবং উৎপাদন থেকে বিপণন পর্যন্ত কার্যকর ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে কৃষক, উদ্যোক্তা, সরকারি প্রতিষ্ঠান ও উন্নয়ন সংস্থাগুলোর সম্মিলিত প্রচেষ্টা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
বিশ্ব খাদ্য দিবসের আয়োজনের মাধ্যমে খাদ্য নিরাপত্তা, পুষ্টি ও টেকসই কৃষি উন্নয়নে জনসচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি কৃষি খাতে উদ্ভাবনী প্রযুক্তির ব্যবহার সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।