প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শনিবার (১৩ জুন) একদিনের সফরে কক্সবাজার আসছেন। তিনি শনিবার সকাল ৯টায় বিমানবন্দরে পৌঁছাবেন এবং একইদিন রাত ৯টায় বিমানযোগে কক্সবাজার ত্যাগ করবেন।
এই ১২ঘন্টার সফরে প্রধানমন্ত্রী ১১টি প্রোগ্রামে অংশ নেবেন। প্রধানমন্ত্রীর এসব প্রোগ্রামে সফল করতে কক্সবাজার ভিভিআইপি'র শহরে পরিণত হয়েছে। এরমধ্যে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কর্মসূচী সমুহের সার্বিক প্রস্তুতি দেখভাল কক্সবাজারে শুক্রবার থেকে এসেছেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, পানি সম্পদমন্ত্রী শহিদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, বেসামরিক বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মোঃ শরীফুল আলম, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। প্রধানমন্ত্রী কক্সবাজার পৌঁছার আগেই আরো ২জন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী শনিবার সকালে কক্সবাজার আসার কথা রয়েছে। এছাড়া, কক্সবাজার জেলার বাইরের ৮ জন সংসদ সদস্য প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে কক্সবাজারে অবস্থান করছেন। বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সচিব ও সচিব পদমর্যাদার ১১জন কর্মকর্তা কক্সবাজারে রয়েছেন। চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দীন, পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা, নিরাপত্তায় নিয়োজিত সামরিক -বেসামরিক উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা কক্সবাজার ব্যস্ত সময় পার করছেন। কক্সবাজারের ৪ জন সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী, লুৎফুর রহমান কাজল, আলমগীর মোহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ ফরিদ, অ্যাডভোকেট শামীম আরা স্বপ্না প্রধানমন্ত্রীর কর্মসূচী সফল করতে দিনরাত কাজ করে যাচ্ছেন। তাছাড়া, সরকারের অনেক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হিসাবে শনিবার কক্সবাজারে আসছেন। যা কক্সবাজারকে পরিণত করেছে সর্বোচ্চ সংখ্যক ভিভিআইপি'র শহরে।
এ বিষয়ে কক্সবাজার শহরের একজন বাসিন্দা বলেন, ভিভিআইপি-দের নিরাপত্তা দিতে গিয়ে স্থানীয় নাগরিকদের স্বাভাবিক চলাচল সাময়িকভাবে কিছুটা বিঘ্নিত হলেও প্রধানমন্ত্রীর আগমনে তাঁরা উচ্ছসিত। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর আগমন কক্সবাজারবাসীর জন্য গর্বের বিষয়।