কক্সবাজার পৌরসভা ও সদর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে চোর ও ছিনতাইকারী চক্রের সদস্যদের দমনে গতকাল বিশেষ অভিযান চালিয়ে ৫ জন পেশাদার ছিনতাইকারী, ৬ জন মাদকসেবী এবং ৪ জন পরোয়ানাভুক্ত আসামিসহ মোট ১৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে কক্সবাজার সদর মডেল থানা পুলিশ।
থানা সূত্রে জানা গেছে, পর্যটন শহর ও সংলগ্ন এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পৌরসভা ও ইউনিয়নের অপরাধপ্রবণ স্থানে একযোগে এই বিশেষ অভিযান চালানো হয়। অভিযানে আটক ৫ ছিনতাইকারীর মধ্যে কয়েকজনের বিরুদ্ধে একাধিক ডাকাতির প্রস্তুতি, অস্ত্র আইন, বিশেষ ক্ষমতা আইন এবং পুলিশ আইনের মামলা রয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃত ছিনতাইকারীরা হলেন চকরিয়ার পূর্ব বড় ভেওলাসীর ইসমাইল (২৬), চট্টগ্রামের সাতকানিয়ার ঢেমশা ইউনিয়নের টিপু দাস (২৪), কক্সবাজার পৌরসভার পাহাড়তলী ইসলামপুরের শাহাদাত হোসেন ফাহিম (২২), মধ্য কলাতলীর হাসান ওরফে জিল্লু (২১) এবং দক্ষিণ বাহারছড়ার জামাল উদ্দিন জিয়া (৪০)। তাঁদের মধ্যে ১ নম্বর আসামি ইসমাইলের বিরুদ্ধে চকরিয়া থানায়, ২ নম্বর আসামি টিপু দাসের বিরুদ্ধে টেকনাফ থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইন এবং ডিএমপির বিমানবন্দর থানাসহ সদর থানায় মামলা ও জিডি রয়েছে। এছাড়া ৫ নম্বর আসামি জামাল উদ্দিন জিয়ার বিরুদ্ধে কক্সবাজার সদর থানায় অস্ত্র আইন এবং ডাকাতির প্রস্তুতির পৃথক দুটি গুরুতর মামলা বিচারাধীন।
অন্যদিকে, মাদক সেবনের অপরাধে গ্রেপ্তার করা হয়েছে খুরুশকুলের সাহা কালাম (২২), লাইট হাউজ পাড়ার মোঃ নুরু ইসলাম (৬০) ও মোঃ জাহেদ হাসান (২৪), বান্দরবানের লামার মোঃ রফিক (২৯), ঝিলংজা খরুলিয়ার আবুল কাসেম (২৪) এবং রামুর শিকলঘাটা এলাকায় অবস্থান নেওয়া ভাসমান রোহিঙ্গা নারী শারমিনকে (৩০)।
এছাড়া আদালতে নিয়মিত মামলার আসামিসহ পরোয়ানাভুক্ত ৪ পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁরা হলেন वैद्यঘোনার মোঃ ছৈয়দ নুর, খুরুশকুল ফকির পাড়ার তোফাইদুল ইসলাম বাবু (২১), পাহাড়তলীর আবু বক্কর (২২) এবং পশ্চিম পাহাড়তলীর মোঃ সেলিম (২২)।
কক্সবাজার সদর মডেল থানা পুলিশ জানিয়েছে, পর্যটন নগরীর সাধারণ মানুষ ও পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সব ধরনের ছিনতাই ও মাদক দমনে এই সাঁড়াশি অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেপ্তারকৃত সকল আসামিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ প্রক্রিয়া শেষে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।