মিয়ানমার থেকে নাফ নদী হয়ে বাংলাদেশে ঢুকছিল মাদকের বড় চালান। তবে টেকনাফে কোস্টগার্ডের পৃথক অভিযানে ভেস্তে গেছে সেই পাচার পরিকল্পনা। পরিত্যক্ত দুই কাঠের বোট থেকে উদ্ধার হয়েছে ১৪ কেজি ক্রিস্টাল মেথ বা আইস এবং ২০ বোতল বিদেশি মদ। একই সময়ে উখিয়ায় আরও ৫ হাজার ইয়াবাসহ আটক করা হয়েছে এক মাদক কারবারিকে।
কোস্টগার্ড জানায়, নাফ নদী হয়ে মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে ঢোকার কথা ছিল ক্রিস্টাল মেথ বা আইসের দুটি বড় চালান। তবে, নাফ নদীতে সতর্ক অবস্থানে ছিল কোস্টগার্ড। রাত ১টা থেকে ৩টা; টেকনাফের নাফ নদীর জালিয়ার দ্বীপ ও জালিয়াপাড়া সংলগ্ন এলাকায় শুরু হয় পৃথক দুটি বিশেষ অভিযান। কিন্তু কোস্টগার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যায় পাচারকারীরা। জালিয়ার দ্বীপের প্যারাবন এবং জালিয়াপাড়া সংলগ্ন কেওড়া বনে রেখে যায় দুটি কাঠের বোট। পরে তল্লাশিতে বেরিয়ে আসে চায়ের প্যাকেটের আড়ালে অভিনব কায়দায় মোড়ানো ১৪ কেজি ক্রিস্টাল মেথ বা আইস। সঙ্গে পাওয়া যায় ২০ বোতল বিদেশি মদ।
বুধবার বিকেলে টেকনাফে সংবাদ সম্মেলনে কোস্টগার্ডের অপারেশন কর্মকর্তা লেঃ কমান্ডার আরাফাত হোসেন বলেন, শুধু আইসের চালান নয়-মাদক পাচারের আরেক রুটেও অভিযান চালিয়েছে কোস্টগার্ড। উখিয়ার পালংখালী পেট্রোল পাম্প সংলগ্ন এলাকায় সন্দেহভাজন এক ব্যক্তিকে তল্লাশি করে উদ্ধার করা হয় ৫ হাজার ইয়াবা। আটক করা হয় ওই ব্যক্তিকে।
অপারেশন কর্মকর্তা লেঃ কমান্ডার আরাফাত হোসেন বলেন, মাদক পাচারের সঙ্গে জড়িত চক্রের অন্য সদস্যদের শনাক্ত ও আটকে গোয়েন্দা নজরদারি এবং বিশেষ অভিযান অব্যাহত রেখেছে কোস্টগার্ড। মিয়ানমার সীমান্তঘেঁষা নাফ নদী ও উপকূলীয় এলাকাকে মাদক পাচারের রুট হিসেবে ব্যবহার ঠেকাতে-এ ধরনের অভিযান আরও জোরদারের কথা জানিয়েছে কোস্টগার্ড কর্মকর্তা।