সুগন্ধা বীচে উচ্ছেদ হওয়া জায়গা পরিদর্শন করলেন কক্সবাজার -৩ আসনের এমপি লুৎফুর রহমান কাজল। সোমবার ( ১৬ মার্চ ) দুপুরে তিনি সুগন্ধা পয়েন্টের বালিয়াড়ি থেকে উচ্ছেদ হওয়া স্থান ঘুরে দেখেন। এসময় সাথে ছিলেন, জেলা প্রশাসক মোঃ আঃ মান্নান, পুলিশ সুপার এ.এন.এম. সাজেদুর রহমান, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট শাহিদুল আলম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ( সার্বিক ) ইমরান হোসেন সজীব, পর্যটন সেলের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আজিম খান।
জেলা প্রশাসককে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, ব্যবসায়ীরা সরকারের কথা রেখেছেন। কোন রকম বিশৃঙ্খলা ছাড়ায় তারা দোকান সরিয়ে নিয়েছেন। সামনে ঈদ মৌসুম, এ অবস্থায় তাঁদের জন্য কি করা যায়, তাঁদের কোন একটা ব্যবস্থা করে দিতে হবে। তাঁদের'তো পরিবার পরিজন আছে। মানবিক দিক বিবেচনা করে তাঁদের পুনর্বাসনের করা গেলে ভালো হয়।
এসময় জেলা প্রশাসক মোঃ আঃ মান্নান বলেন, সরকারের পরিত্যক্ত জায়গা কোথায় খালি আছে দেখতে হবে। এমন জায়গা পাওয়া গেলে ব্যবসায়ীদের পুনর্বাসন করা হবে। তাঁদের যেন আর এদিকে ওদিকে ছুটতে না হয়, সেজন্য একটি খাস জায়গা দেখতে হবে এবং শীঘ্রই তা বাস্তবায়ন করা হবে। আর যেন তাঁদের আতঙ্কের মধ্যে থাকতে না হয়। সেই ব্যবস্থাই করা হবে। ঈদের আগে যেন ব্যবসায়ীরা ব্যবসা বানিজ্য করতে পারে সেদিকে নজর দিতে বললেন এমপি কাজল।।
গত রবিবার দ্বিতীয় দফায় সৈকতের সুগন্ধা পয়েন্টের বালিয়াড়িতে বসানো চার শতাধিক দোকান নিজ উদ্যেগে সরিয়ে নিয়েছিলেন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা। এর একদিন আগে সুগন্ধা পয়েন্ট থেকে শতাধিকের মত দোকান গাড়িতে করে নিয়ে যান জেলা প্রশাসক।
এদিকে গতকাল রবিবার বিকেলে কলাতলী বীচের বালিয়াড়িতে বসানো সকল দোকান নিজ উদ্যেগে নিয়ে যান ব্যবসায়ীরা।
এর আগে ৯ মার্চ কক্সবাজার জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ সৈকতে গড়ে তোলা সব অবৈধ স্থাপনা এক সপ্তাহের মধ্যে উচ্ছেদের নির্দেশ দেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এ নির্দেশনার পর গত বৃহস্পতিবার থেকে সৈকতে অবৈধ দোকানপাট ও স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান শুরু করে জেলা প্রশাসন।