উখিয়া উপজেলার জালিয়া পালং ইউনিয়নের রেজুখালের তীব্র ভাঙ্গন থেকে ফসলি জমি ও বসতভিটা রক্ষায় বেরিবাধ নির্মাণে সরে জমিন পরিদর্শন করেছেন উখিয়া টেকনাফ আসনের সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী।
শুক্রবার ( ৮ মে) সকালে তিনি ফিশিং বোট যোগে রেজুখালের দু'পাড়ের ভাঙ্গনের দৃশ্য পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শনকালে, সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী বলেন, বর্ষার মৌসুমে সাগরের জোয়ারের ঢেউ ও পাহাড়ি ঢলের পানি তীব্রতা বেড়ে গিয়ে রেজুখালের পাড়ে বসবাসরত অসংখ্য ঘরবাড়ি ও ফসলি জমি বিলীন হয়ে নদী গর্ভে নিমজ্জিত হচ্ছে। এসব ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে রক্ষা ও ফসলি জমি উদ্ধারে প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন তিনি বলেন পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে পানি উন্নয়ন বোর্ড এর সহযোগিতায় ৭ কিলোমিটার খাল খনন ও বেরিবাধ নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
সাংসদ শাহজাহান চৌধুরী আরো বলেন, এক সময় রেজুর খালে দেশি-বিদেশি ট্রলার আসা যাওয়া করত। এখানকার মানুষ রেঙ্গুন শহরে গিয়ে ব্যবসা-বাণিজ্য করত। কালের আর্বতে খালটি ভরাট হয়ে যাওয়ায় এটি ঐতিহ্য হারিয়েছে। শুধু তাই নয় প্রতি বর্ষার মৌসুমে অসংখ্য ঘরবাড়ি বিলিন হয়ে গেছে।
তিনি বলেন, পানি উন্নয়ন বোর্ডের মাধ্যমে আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে রেজুখালে বেরিবাধ নির্মাণ করা হলে বসতভিটা ও ফসলী জমি রক্ষার পাশাপাশি পর্যটকদের ভ্রমণে অফার সম্ভাবনা সৃষ্টি হবে।
এ সময় উখিয়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সুলতান মাহমুদ চৌধুরী ও জালিয়া পালং ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান নুরুল আমিন চৌধুরী, উখিয়া যুবদলের সদস্য সচিব খাইরুল আমিন সহ ক্ষতিগ্রস্ত গ্রামবাসীর উপস্থিত ছিলেন।
উখিয়া বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সুলতান মাহমুদ চৌধুরী বলেন, রাজু খালের ভাঙ্গনের কবলে পড়ে জালিয়া পালং ইউনিয়নের লম্বরি পাড়া, পশ্চিম সোনারপাড়া, উত্তর সোনাইছড়ি, ঘাটঘর পাড়া সহ কয়েকটি গ্রামের শত শত বাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। শুধু তাই নয় শত শত একর জমি চাষাবাদ থেকে বঞ্চিত হয়েছে।
তিনি জানান, সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী দীর্ঘ ৭ কিলোমিটার রেজুখালের পূণঃখনন ও বেড়িবাঁধ নির্মাণে সরজমিন পরিদর্শনে এসেছেন। স্থানীয় জনগণের দাবি নদীর ভাঙ্গন থেকে বসতভিটা ও জমি রক্ষার জন্য দ্রুত খাল খনন সহ বেড়িবাঁধ নির্মাণ করা হোক।