কুতুবদিয়ায় হঠাৎ ডায়রিয়ার প্রকোপ দেখা দিয়েছে। রবিবার এক দিনেই হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত ১৬ জন রোগী। গতকাল সোমবার বাড়িতেই মারা গেছে সুমি আক্তার নামের এক নারী। হাসপাতালে চলছে ক্লোরাইড ইনজেকশন স্যালাইন সংকট। একই সাথে নাই স্যালাইন সেট-ক্যানোলা।
উত্তর ধুরুং বাঁকখালী গ্রামের ওমর ফারুকের ৮ মাস বয়সি শিশু আলিফাকে ডায়রিয়া নিয়ে গত শুক্রবার ভর্তি করেন। শিশুর দাদী খাদিজা বলেন, খাবার স্যালাইন পাচ্ছি। কিন্তু কলেরা ইনজেকশন স্যালাইন, পুশিং সেট বাহির থেকে কিনতে হচ্ছে।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জরুরি বিভাগে দায়িত্বরত ডা: নুসরাত জাহান লিজা জানান, হাসপাতালে তুলনামূলক ডায়রিয়ার রোগী বেড়েছে। সোমবার সকালে নিয়ে আসা আলী আকবর ডেইল পুতুন্যার পাড়ার মো: বাবুর স্ত্রী সুমি আক্তার (২৭) নামের রোগিটা বাড়িতেই মারা গেছে। গতকাল থেকে স্ট্রং ডায়রিয়া ছিল তার।পরিবারের অলসতায় বাড়িতে রেখে প্রাথমিক চিকিৎসা নেয় বলে জানা গেছে। গত ২৪ ঘন্টায় শিশুসহ ১৬ জন ডায়রিয়ায় আক্রান্ত রোগী ভর্তি হয়েছে বলেও জানান তিনি।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: রেজাউল হাসান বলেন, ডায়রিয়ায় মৃত নারী হাসপাতালে না এনে বাড়িতে রেখে ছিল। সময়মত না আনায় বাড়িতেই সে মারা যায়। এখন ডায়রিয়ার রোগী বেশি। ইনজেকশন স্যালাইন সংকট। গত সপ্তাহে মাত্র ৯০০ ব্যাগ পেয়েছি। সব রোগীকেই যথাসাধ্য চেষ্টা করছি দেয়ার। আবারো চাহিদা পাঠানো হবে উর্ধতন কর্তৃপক্ষের কাছে।