মাস্টার সালেহ আহমেদ, সদস্য, জিএমসি, চৌফলদণ্ডি, সদর, কক্সবাজার
নিরাপদ ও সুশাসিত অভিবাসন নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে ব্যাপক প্রচার-প্রচারণার কোনো বিকল্প নেই। সচেতনতামূলক বার্তা তৃণমূল পর্যন্ত পৌঁছে দিতে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে একটি বড় প্ল্যাটফর্ম হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে। বিশেষ করে স্থানীয় মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কলেজগুলোতে যদি প্রতি মাসে অন্তত একবার অভিবাসন শাসনব্যবস্থা, সঠিক তথ্য, প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলোর সুবিধা এবং বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি সম্পর্কিত সচেতনতামূলক কার্যক্রম বা সেশন পরিচালনা করা হয়, তবে তা অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা রাখবে। তরুণ শিক্ষার্থীরা এসব তথ্য জানতে পারলে তারা তাদের পরিবার ও সমাজে সচেতনতা ছড়িয়ে দিতে পারবে। কোনো স্বজন বিদেশে যেতে চাইলে দালালদের খপ্পরে না পড়ে সরকারি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে প্রশিক্ষণ নেওয়া কিংবা বৈধ প্রক্রিয়ায় যাওয়ার বিষয়ে শিক্ষার্থীরাই প্রথম পরামর্শক হতে পারে।
এর পাশাপাশি কক্সবাজারের মতো উপকূলীয় ও সীমান্তবর্তী এলাকার ক্ষেত্রে বিশেষ নজরদারি প্রয়োজন। সমুদ্রপথের সুযোগ নিয়ে একশ্রেণীর অসাধু দালাল ও চোরাচালানকারী চক্র কম খরচে বিদেশে পাঠানোর নামে তরুণদের জীবন ঝুঁকিতে ফেলছে। এর ফলে অকালে বহু প্রাণ ঝরে পড়ছে। মানবপাচার ও অবৈধ চোরাচালানের সাথে জড়িত এই অপরাধী চক্র দের দ্রুত চিহ্নিত করে কঠোর আইনি আওতায় আনতে হবে। এদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা গ্রহণ করা সম্ভব হলে সমুদ্রপথে অবৈধ অভিবাসনের এই আত্মঘাতী পথ চিরতরে বন্ধ করা সম্ভব হবে।