কক্সবাজারের চকরিয়ায় বসতবাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি সংঘটিত হয়েছে। ৮-৯ জনের মুখোশ পরিহিত একদল সশস্ত্র ডাকাত বাড়ির দরজা ভেঙে নগদ ১ লাখ ৭ হাজার টাকা, দেড়ভরি স্বর্ণালংকার সহ প্রায় ৫ লাখ টাকার মালামাল লুট করেছে।
শুক্রবার (২৮ আগস্ট) দিবাগত রাত সাড়ে তিনটার দিকে উপজেলার ডুলাহাজারা ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের পাগলীরবিল এলাকার নুরুল আমিনের বসতবাড়িতে এ দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনা ঘটে।
গৃহকর্তা নুরুল আমিন জানায়, শুক্রবার রাত ১০টার দিকে রাতের খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে পড়ি। সাড়ে তিনটার দিকে বাড়ির মুল ফটকের দরজায় আঘাতের শব্দ শুনে বেডরুমের দরজা খুলে বের হই। এসময় ৮-৯ জন মুখোশ পরিহিত সশস্ত্র ডাকাত বাড়ির ভেতরে দেখতে পেয়ে আমি ভীত সন্ত্রস্ত হয়ে পড়ি।
এসময় তারা পুলিশ পরিচয় দিয়ে পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের অভয় দিয়ে অবৈধ অস্ত্র ও মালামাল তল্লাশি করবে বলে জানান। তার আগে আপনাদের মূল্যবান জিনিসপত্র গুলো নিজেদের হেফাজতে নিয়ে নিন। তখন আমি আলমিরা খুলে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার নিয়ে নেয়ার পর তারা বাড়ির ভেতর পার্শ্ববর্তী অন্য একটি রুমে নিয়ে আটকে রাখে। এ সময় আটকে রাখা রুমের দরজার ফটক দিয়ে দেখতে পাই বাড়ির মুল ফটকের দরজাটি ভাঙা এবং বাইরেও ২-৩ জন মুখোশ পরিহিত সশস্ত্র লোক অবস্থান করছেন।
ডাকাত কবলিত বাড়ির গৃহকর্তা নুরুল আমিন আরও বলেন, কিছুক্ষণ পর সশস্ত্র মুখোশ পরিহিত ব্যক্তিরা রুমে এসে নিজেদের হেফাজতে নেওয়া নগদ ১ লাখ ৭ হাজার টাকা, দেড়ভরি স্বর্ণালংকার ও মূল্যবান জিনিসপত্রসহ প্রায় ৫ লাখ টাকার মালামাল হাতিয়ে নেওয়ার পর বলেন, মুলত মালামাল গুলোর জন্যই এখানে এসেছি। পরে একটি সাদা রঙের মাইক্রোবাসে করে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন ডাকাতদল।
চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান বলেন, ডুলাহাজারা ইউনিয়নের পাগলিরবিলে বসতবাড়িতে ডাকাতির বিষয়টি আমি অবগত নই। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশদল পাঠানো হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।