নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুম সীমান্তবর্তী এলাকায় চলাচলের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বনের আহবান জানিয়েছেন ৩৪ বিজিবি অধিনায়ক লে: কর্ণেল এস এম খাইরুল আলম।
বুধবার (১০ জুন) দুপুর সাড়ে ১২টায় ঘুমধুম সীমান্তে গেল ২ সপ্তাহের ৫ জনের প্রাণহানির ঘটনার পর এক জনসচেতনতামূলক সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতাকালে তিনি এ আহবান জানান।
এ সময় তিনি হতদরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত পরিবারের মাঝে সেলাই মেশিন, চাল, শিশুদের খেলনা সামগ্রী এবং নগদ অর্থও বিতরণ করেন।
তার বক্তব্যে লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস এম খায়রুল আলম আরো বলেন, “সীমান্তে বিজিবি হবে জনগণের আস্থার প্রতীক।” তিনি সীমান্ত এলাকায় সম্প্রতি ল্যান্ডমাইন বিস্ফোরণের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, এসব দুর্ঘটনায় যারা প্রাণ হারাচ্ছেন তারা কারো বাবা, ভাই কিংবা প্রিয়জন। তাই মাইন পুঁতে রাখার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করতে স্থানীয় জনগণের সহযোগিতা প্রয়োজন।
তিনি আরও বলেন, মাইন সংক্রান্ত যেকোনো তথ্য পেলে বিজিবি সর্বোচ্চ গুরুত্বের সঙ্গে ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে সীমান্ত নিরাপত্তা রক্ষায় ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, জনগণের নিরাপত্তা ও কল্যাণে বিজিবি সবসময় পাশে থাকবে এবং দায়িত্ব পালনে সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকারে প্রস্তুত।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ঘুমধুম ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান রিমন রুদ্র, ঘুমধুম পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মঈন উদ্দিন, ব্যবসায়ী হায়দার আলী কোম্পানিসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ৩৪ বিজিবির এই মানবিক উদ্যোগ অসহায় মানুষের মাঝে স্বস্তি এনে দিয়েছে। পাশাপাশি সীমান্ত জনপদের মানুষের সঙ্গে বিজিবির সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করতে এ কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।