সাপ্তাহিক ছুটিতে কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে পর্যটকের ঢল। কয়েক কিলোমিটারজুড়ে উৎসবের আমেজ—নোনাজলে সমুদ্রস্নান আর বালুচরে পরিবার-পরিজন ও প্রিয়জনের সঙ্গে আনন্দে মেতেছেন ভ্রমণপিপাসুরা। তবে লাল পতাকার সতর্কতা উপেক্ষা করে অনেকেই নামছেন ঝুঁকিপূর্ণ সাগরে। পর্যটকদের নিরাপত্তায় সতর্ক রয়েছে লাইফগার্ড কর্মীরা। মো. সাগরের বড় বড় ঢেউ, বালুচরে মানুষের উপচে পড়া ভিড় আর শিশুদের উচ্ছ্বাস-সব মিলিয়ে যেন উৎসবের আমেজ কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে।
সাপ্তাহিক ছুটির দিনে সকাল থেকেই পর্যটকদের পদচারণায় মুখর হয়ে ওঠে বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকত। ঢেউয়ের সঙ্গে খেলায় মেতে ওঠেন কেউ, কেউ ব্যস্ত প্রিয়জনের সঙ্গে ছবি তুলতে। পরিবার নিয়ে আসা পর্যটকদের আনন্দও যেন বাঁধ মানছে না।
সমুদ্রস্নান, ঢেউয়ের সঙ্গে দৌড়ঝাঁপ আর সৈকতে ছবি তোলা-পরিবার-পরিজন ও প্রিয়জনের সঙ্গে এমন আনন্দঘন মুহূর্তই কাটাচ্ছেন পর্যটকরা।
তবে আনন্দের পাশাপাশি রয়েছে ঝুঁকিও। সৈকতের বালিয়াড়িতে লাল পতাকা টাঙিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ স্থান সম্পর্কে সতর্ক করা হলেও অনেক পর্যটক তা উপেক্ষা করে নামছেন সাগরে নামছেন। তারপরও দুর্ঘটনা এড়াতে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে লাইফ গার্ড কর্মীরা।
এদিকে পর্যটকের ভিড়ে বেচাকেনায় জমজমাট সৈকতপাড়ের দোকানপাট। বাড়তি ব্যস্ততা দেখা গেছে ঘোড়াওয়ালা, বিচ বাইক ও জেটস্কি চালকদের মধ্যেও। পর্যটকদের আনাগোনায় বাড়ছে তাদের কর্মচাঞ্চল্য ও আয়-রোজগার।
পর্যটকরা কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের পাশাপাশি ঘুরে বেড়াচ্ছেন দীর্ঘ ৮০ কিলোমিটার মেরিন ড্রাইভের একাধিক বিনোদন স্পটে।