বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি জেনারেল ও কক্সবাজার–০২ (মহেশখালী–কুতুবদিয়া) আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী ড. এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ বলেছেন, মুখে গণতন্ত্রের কথা বললেও একটি দল বাস্তবে সহিংসতা ও হত্যার রাজনীতি বেছে নিয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) সকালে মহেশখালীর হোয়ানক ইউনিয়নে গণসংযোগকালে তিনি এসব কথা বলেন।
ড. হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, একটি দল প্রকাশ্যে গণতন্ত্র, ভোটাধিকার ও সুষ্ঠু নির্বাচনের কথা বললেও বাস্তবে তারা নৈরাজ্য, সহিংসতা ও হত্যার রাজনীতি চালিয়ে যাচ্ছে। একটি গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দলের প্রধান দায়িত্ব জনগণের জানমাল রক্ষা এবং ভোটাধিকার নিশ্চিত করা। কিন্তু ওই দল সেই দায়িত্ব পালনে সম্পূর্ণভাবে ব্যর্থ হয়েছে। তারা জনগণের ওপর আস্থা রাখতে পারছে না। নির্বাচনে পরাজয়ের আশঙ্কায় তারা চারদিকে সহিংসতার পথ বেছে নিয়েছে।
তিনি আরও বলেন, যারা সত্যিকার অর্থে গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে, তারা জনগণের ভোটাধিকার, আইনের শাসন ও শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক চর্চাকে গুরুত্ব দেয়। কিন্তু ওই দলের কর্মকাণ্ডে তার সম্পূর্ণ বিপরীত চিত্রই ফুটে উঠছে।
এ সময় তিনি শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলায় জামায়াতের সেক্রেটারি মো. রেজাউল করিম হত্যাকাণ্ড, ঢাকার কেরানীগঞ্জে জামায়াতের এক নারী কর্মীকে কুপিয়ে জখম করা এবং দেশব্যাপী নৈরাজ্যের ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানান। এসব ঘটনার বিরুদ্ধে দ্রুত ও দৃশ্যমান বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, অবিলম্বে কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠবে।
একই সঙ্গে ড. হামিদুর রহমান আযাদ মহেশখালী-কুতুবদিয়া এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার আহ্বান জানান এবং সুষ্ঠু ও গণতান্ত্রিক পরিবেশে নির্বাচনী কার্যক্রম পরিচালনার জন্য সকলের প্রতি অনুরোধ জানান। পাশাপাশি তিনি এই আসনের বেকার যুবকদের কর্মসংস্থান ও দক্ষতা উন্নয়নে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের কথাও উল্লেখ করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন সাবেক ছাত্রনেতা ও কক্সবাজার সদর সেক্রেটারি আজিজুর রহমান, উপজেলা দক্ষিণ নায়েবে আমির মাস্টার আজিজুল হক, হোয়ানক ইউনিয়ন সভাপতি আব্দুল মালেক আজাদ, সেক্রেটারি সৈয়দ কবির, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ মাস্টার আখতার কামাল, বিশিষ্ট সমাজসেবক এস. এম. ইব্রাহিমসহ জেলা ও উপজেলার অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।