থার্মাল ক্যামেরার সাহায্যে মাদকপাচারের একটি বড় চেষ্টা ভেস্তে দিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। কক্সবাজারের টেকনাফ সীমান্তে অভিযান চালিয়ে জব্দ করে ২ লাখ ইয়াবা। তবে এ ঘটনায় কাউকে আটক করতে সক্ষম হয়নি বিজিবি।
শনিবার (০৩ জানুয়ারি) রাতে এ তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন টেকনাফস্থ ২ বিজিবির অধিনায়ক লেঃ কর্নেল আশিকুর রহমান।
এক বার্তায় তিনি বলেন, মিয়ানমারের মংডু এলাকা হতে ইয়াবার একটি বড় চালান টেকনাফের সাবরাং সীমান্তের আশিকানিয়া এলাকা দিয়ে প্রবেশ করবে এমন তথ্য পায় বিজিবি। এরই প্রেক্ষিতে পরিকল্পনা অনুযায়ী বিজিবির বিশেষ দল শনিবার ভোরে সাবরাং এলাকার ডাকাতের গোদা ও তৎসংলগ্ন নাফ নদীতে গোপনে অবস্থান নেয়। একপর্যায়ে থার্মাল ক্যামেরার মাধ্যমে ৪ জন ব্যক্তি নাফ নদীতে নৌকায় চড়ে বাংলাদেশের দিকে অগ্রসর হতে দেখতে পায়। এসময় তাদের ধরতে নৌযান নিয়ে অগ্রসর হলে বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে গ্রেফতার এড়াতে দ্রুত মিয়ানমারের অভ্যন্তরে চলে যায়। পরবর্তীতে নদীতে ভাসমান ৪ টি পলিব্যাগে বিশেষ কায়দায় মোড়ানো ২ লাখ ইয়াবা জব্দ করা হয়। অজ্ঞাত মাদক কারবারিদের শনাক্ত ও গ্রেফতারের প্রচেষ্টা এখনও অব্যাহত রয়েছে।
টেকনাফস্থ ২ বিজিবির অধিনায়ক লেঃ কর্নেল আশিকুর রহমান বলেন, “সীমান্তাঞ্চলে রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব সংরক্ষণ এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে বিজিবি সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করে আসছে। যা, স্থানীয় জনমনে গভীর আস্থা ও ইতিবাচক মনোভাবের সঞ্চার করেছে। সীমান্ত এলাকায় মানব ও মাদক পাচারসহ সকল প্রকার আন্তঃসীমান্ত অপরাধ প্রতিরোধে বিজিবি’র এই বলিষ্ঠ ও কার্যকর ভূমিকা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।”
আর উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্য আইনগত প্রক্রিয়া শেষে টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হবে বলেও জানায় বিজিবি অধিনায়ক।