হামে আক্রান্ত কক্সবাজার জেলার ২ শিশু চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যু বরণ করার তথ্য নিশ্চিত করেছে কক্সবাজার সিভিল সার্জন কার্যালয়।
বুধবার বিকালে প্রতিষ্ঠানের পরিসংখ্যান বিভাগের দেয়া তথ্য মতে, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধিন অবস্থায় মারা যাওয়া ২ শিশুর হামের আক্রান্ত বলে ল্যাবের নমুনা পরীক্ষায় নিশ্চিত হওয়া গেছে। এ ছাড়া জেলা হামের উপসর্গ নিয়ে ২৯ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত ১ রোহিঙ্গা সহ আরও ১৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। ফলে এ সময়ের মধ্যে সন্দেহজনক ১৩ জন সহ ১৫ জনের মৃত্যু হল।
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা যাওয়া শিশুর মধ্যে একজন চকরিয়া উপজেলার মিজানের কন্যা তানিশা (২)কে গত ১২ এপ্রিল চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। ১৩ এপ্রিল মারা যায়। অপর শিশু রামু উপজেলার সরওয়ারের ১১ মাস বয়সী কন্যা তুবাকে ভর্তি করা হয়েছিল ১৬ এপ্রিল। মারা যান ১৮ এপ্রিল। ৫ মার্চ ঢাকা থেকে পাঠানো ল্যাবের নমুনা পরীক্ষায় হামে আক্রান্ত বলে নিশ্চিত করা হয়।
এর আগে এক রোহিঙ্গা সহ ১৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে রামু উপজেলায় ৬ জন, কক্সবাজার সদর উপজেলা ২ জন, কক্সবাজার পৌরসভা, মহেশখালী, কুতুবদিয়া ও উখিয়ায় ১ জন করে ৪ জনের মৃত্যু হয়।
কক্সবাজার সিভিল সার্জন কার্যালয়ের দেয়া তথ্য বলছে, গত ২৪ ঘন্টা ৪১ জন সহ জেলার মোট ৭ টি হাসপাতালে ভর্তি আছে ১৪৭ জন।
অন্যান্যদের মধ্যে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে ৮১, চকরিয়ায় ১৫, পেকুয়ায় ৫, উখিয়ায় ১৮, টেকনাফে ১২, রামুতে ৩ এবং মহেশখালীতে ১৩ ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছে।
সিভিল সার্জন কার্যালয়ের দেয়া তথ্য মতে, গত ২৯ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত জেলায় উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছে ১৫০০ জন। এর মধ্যে ৩৬৯ জনের নমুনা সংগ্রহ করে ঢাকা পাঠানো হয়। ঢাকা থেকে প্রেরিত নমুনা পরীক্ষায় ১১৯ জনকে হামে আক্রান্ত বলে শনাক্ত করা হয়েছে।